দক্ষিণ আফ্রিকা ইমারর্জিং দলটির সঙ্গে চট্টগ্রামে চার দিনের প্রথম ম্যাচটি ড্র হয়েছিল। ঢাকায় মঙ্গলবার শুরু হওয়া দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের একাদশে আনা হয় বদল। আর তাতেই মিলেছে সুফল। অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে একাদশে সুযোগ পাওয়া ইফতি ও মঈনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে চাপ কাটিয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দিনশেষে ৭ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২৪২ রান।
প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো আশিকুর রহমান শিবলীর সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধনে নেমেছিলেন ইফতেখার হোসেন ইফতি। আইচ মোল্লার জায়গায় একাদশে সুযোগ পান তিনি। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন শিবলী। ওখান থেকে মড়ক লাগা শুরু। দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ফেরেন দলের ৪০ রানে। এখান থেকে ১৮ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা দাঁড়ায় ৫৮/৫। ওই সময় ক্রিজে আসেন স্পিন অলরাউন্ডার মঈন খান।
দুজন মিলে ১৭৯ রানের যে জুটি গড়েন তাতেই ফিনিক্সের মতো ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে জেগে ওঠে বাংলাদেশ। এমন নৈপুণ্যের পরও আক্ষেপে পুড়তে হয়ে মঈনকে। ৯ রানের জন্য ছুটে গেছে সেঞ্চুরি। ১৫৯ বলের ইনিংসে ১৫টি চার মেরে ৯১ রানে আউট হয়ে যান তিনি।
কিন্তু সেঞ্চুরি তুলে নেন ইফতি। ২৯১ বল ক্রিজে থিতু থেকে ১৪ চারের মারে ১০৯ রান করে দিনের একেবারে শেষবেলায় থামেন তিনি। তখন বাকি ছিল আর মাত্র ১০ বল। রাকিবুল হাসান ও রিপন মণ্ডল কাল দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন।