জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ঈদুল আজহার দিন শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হবে। বৃহস্পতিবার (৩১ মে) এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
এতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ঢাকায় অবস্থানরত শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের জন্য ঈদের দিন দুপুরে খাবারের এক বিশেষ আয়োজন করেছে। এই মহৎ উদ্যোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গকে দাওয়াত জানানো হয়েছে।
বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বোনদের জন্য এই আয়োজনে পৃথক ও পর্দা সহকারে ব্যবস্থা রাখা হবে ইনশাআল্লাহ।
তাছাড়া আরও বলা হয়,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি অনাবাসিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সীমাবদ্ধতা অথবা পরীক্ষার কারণে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরতে পারেন না। পরিবার থেকে দূরে থাকায় এবং ঈদের দিনে বাসায় রান্না করার লোক না থাকা সহ তাদের নানাবিধ কষ্ট লাঘব করার লক্ষ্যেই ছাত্রশিবির এই উদ্যোগ নিয়েছে। সবার মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে এই আয়োজন।
এই আয়োজন প্রসঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য আসাদুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অনাবাসিক হওয়ায় এখানকার শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির সীমা নেই। অনেকেই নানা সমস্যার কারণে বাড়িতে যেতে পারেন না এবং ঢাকায় ভালো কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ঈদের দিনে তাদের অনেক কষ্ট হয়। তাই আমরা সবার মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই আয়োজন করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই প্রতিবছর কোরবানি দিয়ে আসছি এবং কর্মচারীদের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করেছি। আমরা বিগত সময় এই আয়োজন করতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি। এবার ক্যাম্পাসে সকলকে নিয়ে এমন একটি বৃহৎ আয়োজন করতে পেরে আমরা মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের সহযোগিতা কামনা করি।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে হল থাকায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উৎসব আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে পারে। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হল না থাকায় শিক্ষার্থীদের কষ্ট হয়। তাই আমরা চাই এই ঈদের দিনে সবাইকে নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে।