সব কারাগারে জ্যামারের ‘পেরেশানি’

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও এখনো কাক্সিক্ষত পরিবর্তন আসেনি চিহ্নিত কারাগারগুলোতে। কারাগারের ভেতরে চলছে মাদক কারবার থেকে শুরু করে অবাধে মোবাইল ফোনের ব্যবহার। প্রায় প্রতিটি কারাগারে জ্যামার সক্রিয় থাকার কথা থাকলে বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না। বন্দিরা গোপনে প্রতিনিয়ত বাইরে কথা বলছে। এ নিয়ে পেরেশানিতে রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগরের ভেতরে বন্দিদের অপরাধ রোধ করতে নানা কৌশল নিয়েও হিমশিম থেকে হচ্ছে। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার গোপন প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে এসব তথ্য। তবে কারা কর্তৃপক্ষ সবকটি কারাগারে জ্যামার বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে জ্যামার স্থাপন করার কথা রয়েছে।

এদিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলাকারী সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। কীভাবে তিনি আত্মহত্যা করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আলাদাভাবে বিষয়টি মনিটরিং করছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তাছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় কারাগার থেকে পালানো সন্ত্রাসী, জঙ্গিসহ প্রায় ৭০০ অপরাধী হদিস না মেলায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষ। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের হাইকমান্ড। ওইসব বন্দির ছবিসহ নাম ও ঠিকানা সবকটি বিমানবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন কারাগারের এক কর্মকর্তা। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, কারাগার হচ্ছে সংশোধনাগার। এমন সেøাগানের কারণে কারাগার থেকে বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে প্রতি দুদিন পরপর কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়। আর ওই সময়ে বন্ধ রাখা হয় জ্যামার। আর এ সুযোগে কিছু অসাধু কারারক্ষী বন্দিদের অন্য মোবাইলে কথা বলার সুযোগ করে দেয়। পাশাপাশি অনেক বন্দি তাদের কক্ষেই মোবাইল ফোন রাখার অভিযোগ রয়েছে। তারা হেভিওয়েট হওয়ার কারণে অনেক সময় তাদের কক্ষ তল্লাশি করার সাহস দেখায় না কারা কর্তৃপক্ষ। বিনিময়ে তারাও বাড়তি সুবিধা নিয়ে থাকে। বন্দিরা কৌশলে মাদক সেবনও করে থাকে। মাঝেমধ্যে কেউ কেউ নানা অপকর্ম করে তা সত্য। আদালত থেকে কারাগারে আনার সময় বন্দিরা মাদক নিয়ে আসে। অসাধু ও অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে আইনি সংস্কারের উদ্যোগও।

ডগ স্কোয়াড মোতায়েনের পরিকল্পনা : সূত্র জানায়, পাশাপাশি বন্দি ব্যবস্থাপনা অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ২৪ ঘণ্টা হটলাইন সেবা চালু ও কারা অভ্যন্তরে মাদক রোধে ঝুঁকিপূর্ণ কারাগারগুলোয় ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কারাগারে সব বন্দিকে আগমনের পর শ্রেণি বা নির্ধারণপূর্বক প্রকৃতি অনুযায়ী নির্ধারিত ওয়ার্ড, সেল এলাকায় পাঠানো হয়। বিশেষ বন্দিদের ওয়ার্ড, সেলে মোবাইল ফোন জ্যামার স্থাপন করাসহ সিসি ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিদিন কয়েকবার তল্লাশি করা হয়। যোগাযোগের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ ছাড়াও সব ধরনের বিচারাধীন বন্দিপ্রতি ১৫ দিনে এবং সাজাপ্রাপ্ত বন্দি ৩০ দিনে, আইনজীবীসহ একবারে পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারে। প্রত্যেক বন্দিই প্রতি সাত দিনে একবার আইনজীবীসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনটি নম্বরে ১০ মিনিটের জন্য কথা বলার সুযোগ পায়। শ্রেণিপ্রাপ্ত বন্দিরা দিনে দুবেলা এবং অন্য বন্দি দিনে একবেলা আমিষ জাতীয় খাবার পায়। ভেতরের ক্যান্টিনের পণ্যের দাম ন্যায্যতার সঙ্গে নির্ধারণসহ ক্যান্টিন সুবিধা সবার জন্যই উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, তবে এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিবিশেষে মাসিক সর্বোচ্চ ব্যয় নির্ধারণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ম্যানেজ করে মোবাইলে কথা বলছে বন্দিরা : সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানায়, নিষিদ্ধ থাকার পরও দেশের সবকটি কারাগারই দেদার মোবাইল ফোনে কথা বলছে বন্দিরা। অপরাধীরা কারাগারের ভেতর থেকে তথ্যও ফাঁস করে দিচ্ছে। মাদক কারবারসহ অন্যান্য অপরাধও করছে কৌশলে। একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ কারা কর্মকর্তা ও কারারক্ষী বন্দিদের কাছ থেকে ‘সুবিধা’ নিয়ে অপকর্ম চালানোর সুযোগ করে দিচ্ছে।

একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, জ্যামারের কারণে বন্দিরা মোবাইল ফোনে কথা বলতে পারছে। এমনকি বাইরে থেকেও ফোন আসে বলে তথ্য মিলেছে। বর্তমানে দেশে ৬৯টি কারাগার রয়েছে। এ কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতা ৪২ হাজারের কিছু বেশি। ৫ আগস্টের পর ৫০ হাজারের কিছু বেশি বন্দি ছিল। তারপর কারাবন্দির সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছে ৬৫ হাজারের বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৯টি কারাগারের মধ্যে ১৭টি কারাগার অনেক পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কারাগার দ্রুত সংস্কার, মেরামত ও পুনর্র্নির্মাণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজনস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানিয়েছেন, কারাগারে কোনো অনিয়ম হতে দেব না। প্রতিটি কারাগারে জ্যামার স্থাপন করা হবে। গোপনে বন্দিরা যাতে মোবাইলে কথা বলাসহ কোনো ধরনের অপকর্ম করতে না পারে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বন্দির আত্মহত্যার বিষয়টি নিয়ে আমরা কিছুটা বিব্রত। বন্দি সাইদুর রহমান সুজন ডিটেনশনে সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে ছিলেন। সকালে বন্দি সুজন নাশতাও করেছেন। ওই কক্ষে তিনজন বন্দি, একজন আদালতে গিয়েছিলেন, অন্যজন ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সুযোগে সুজন নিজের লুঙ্গি গলায় পেঁচিয়ে জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরে তাকে কারা হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যান। তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা আছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনেরও মামলা আছে। তবুও কারা অভ্যন্তরে আত্মহত্যার ঘটনা কীভাবে হলো, এ বিষয়ে একটি কমিটি করে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পলাতক ৭০০ আসামিকে নিয়ে দুশ্চিন্তা : সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫ আগস্ট ও পরবর্তী সময়ে ২২ শতাধিক কারাবন্দি পালিয়ে গেছে। তার মধ্যে অনেকে স্বেচ্ছায় ফিরে আসে। আবার অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৫০০ জনকে ধরা হয়েছে। এখনো ৭০০ বন্দির হদিস মিলছে না। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন মামলায় ১১ জন দাগি আসামি মুক্তি পেয়েছে। জেএমবিসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের ১৭৪ জন জামিনে মুক্তি পেয়েছে। পালানো বিভিন্ন আলোচিত মামলা ও জঙ্গি সদস্যের মধ্যে এখনো পলাতক ৭০ জন। প্রায় তিন বছর আগে ঢাকার সিএমএম আদালতে শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে তোলার আগমুহূর্তে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত দুই জঙ্গি মইনুল হাসান শামীম ও আবু সিদ্দিক সোহেলকে ছিনিয়ে নেয় তার সহযোগীরা। ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গি ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর ঢাকার শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুই জঙ্গিকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ করে টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলার পর তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ইউনিট। ঘটনার তদন্তে মন্ত্রণালয় ও পুলিশের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হয়। দুই কমিটিই তদন্ততের একপর্যায়ে দেখতে পান কারাগারে বসেই জঙ্গিরা মোবাইল ফোনে তাদের সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলত। এখনো তাদের ধরা সম্ভব হয়নি।

জ্যামার থেকেও নেই : কারা সূত্র জানায়, বেশিরভাগ কারাগারেই জ্যামার থেকেও না থাকার অবস্থা দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় কারাগারে ৮৮টি জ্যামার থাকলেও ৭৮টি বিকল হয়ে আছে। ওইসব জ্যামার সচল করার পাশাপাশি নতুনভাবে স্থাপন করতে সম্প্রতি কারা অধিদপ্তরকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অভিযোগ উঠেছে, মোট অঙ্কের অর্থ পেয়ে জ্যামারগুলো বিকল করে রাখে অসাধু কারারক্ষীরা। কারা এসব অপকর্ম করছে তা বের করতে কাজ করছে গোয়েন্দারা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কাশিমপুর পার্ট-১ ও ২, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও হাই-সিকিউরিটি কারাগারে কয়েক বছর আগে ৮৮টি জ্যামার বসানো হয়। ওই যন্ত্র দিয়ে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। কিন্তু মাত্র চার বছরের মাথায় এসব যন্ত্রের মধ্যে ৭০টি নষ্ট হয়ে গেছে। ১৭টি জ্যামারের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ১৩টি সচল রয়েছে। হাই-সিকিউরিটি কারাগারে দুটি ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় দুটি জ্যামার সচল রয়েছে। কিন্তু তাও নিয়মতান্ত্রিক ব্যবহার হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

কারাগারের নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশের সুপারিশ : পুলিশ সূত্র জানায়, মাস দুয়েক আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কারাগারের বিষয়ে কিছু সুপারিশ পাঠায়। সুপারিশে বলা হয়, কারাগারের নিরাপত্তাসহ বন্দিদের আদালতে আনা-নেওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে কারা কর্তৃপক্ষকে। কারাগারের সর্বত্র ব্যাকআপসহ সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং সেই সিসি ফুটেজ ছয় মাস থেকে এক বছরের ব্যাকআপের (সংরক্ষণের) ব্যবস্থা রাখতে হবে। কারাগারগুলোর প্রতিটি প্রবেশদ্বারে ব্যাকআপসহ বডি ও লাগেজ স্ক্যানার স্থাপন করতে হবে; যাতে কেউ ইচ্ছা করলেই অবৈধ কোনো মালামাল বা মাদকদ্রব্য নিয়ে ঢুকতে না পারে। কারাগারের স্পর্শকাতর জায়গায় যেসব কারারক্ষী বা কারা কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয় সরকারি এজেন্সির মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। ফাঁসির আসামি বা দুর্ধর্ষ বন্দির বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত চিঠিপত্রের মাধ্যমে না করে ইমেইল বা স্বীকৃত কোনো মাধ্যমে করতে হবে। আদালতের শুনানি কার্যক্রমে ফাঁসির আসামি বা দুর্ধর্ষ বন্দির ক্ষেত্রে শারীরিক উপস্থিতি অব্যাহতি দিয়ে ভার্চুয়ালি হাজিরার ব্যবস্থা করতে হবে। আসামিদের শুনানির ক্ষেত্রে আদালত চত্বরে সব ধরনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে একটি সেল গঠন করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালাতে হবে।

বন্দির আত্মহত্যায় তোলপাড় : দুদিন আগে ঢাকার (কেরানীগঞ্জ) কেন্দ্রীয় কারাগারে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলাকারী সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজনের আত্মহত্যার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। কীভাবে তিনি আত্মহত্যা করলেন তা নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ গভীরে গিয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে নিহতের পরিবার বলছে, সুজন আত্মহত্যা করতে পারেন না। অভিযোগ ওঠায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি মনিটরিং করছে। রবিবার তার ময়নাতদন্ত হয়েছে। গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সুজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, কারা নিরাপত্তা আধুনিকায়নের আওতায় কারাগারভিত্তিক কম্প্রিহেনসিভ মোবাইল ফোন জ্যামার বসানোর উদ্দেশ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাছাড়া জ্যামারের টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন নতুনভাবে প্রণয়নের জন্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। এত নিরাপত্তার মধ্যেও একজন বন্দির আত্মহত্যা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।