আলোর মুখ দেখছে মেসিদের নতুন ঠিকানা ‘ফ্রিডম পার্ক’

নাম ফ্রিডম পার্ক—মায়ামির বুকে গড়ে ওঠা নতুন ফুটবল মন্দিরের নামটা যেমন প্রতীকী, তেমনি তা ঘিরে থাকা আকাঙ্ক্ষাও স্পষ্ট। এই স্টেডিয়ামই হতে যাচ্ছে লিওনেল মেসির ভবিষ্যতের ঠিকানা, যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়।

ইন্টার মায়ামির নতুন এই স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ চলছে জোরকদমে। মারকা-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, খুব শিগগিরই এটি প্রস্তুত হয়ে যাবে। ২০২৬ সালের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) মৌসুম থেকেই স্টেডিয়ামটি ব্যবহৃত হওয়ার কথা রয়েছে, সম্ভাব্য উদ্বোধন ফেব্রুয়ারি-মার্চে।

মেসির সঙ্গে ইন্টার মায়ামির বর্তমান চুক্তি ২০২৫ সালেই শেষ হওয়ার কথা। তবে ক্লাব সূত্র মারকাকে জানিয়েছে, দুই পক্ষই চায় সম্পর্ক দীর্ঘায়িত হোক। সেই অনুযায়ী আলোচনা চললেও এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি নবায়ন হয়নি। মেসির প্রতিনিধি দলও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তবে ইচ্ছা, আগ্রহ ও আলোচনার গতিপ্রকৃতি দেখে অনুমান করা যাচ্ছে, খুব দেরি নয়, শিগগিরই হতে পারে নতুন চুক্তি।

স্টেডিয়ামটি শুধু খেলার মাঠ নয়, বরং এটিকে ঘিরে গড়ে তোলা হচ্ছে মায়ামির সবচেয়ে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স। প্রায় ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামের অধিকাংশ আসনই থাকবে ছায়াযুক্ত। থাকবে বিলাসবহুল ভিআইপি বক্স ও পিচসাইড লাউঞ্জ, যা নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করবে ক্লাবটির জন্য।

স্টেডিয়ামটির পাশেই থাকবে বিশাল সবুজ পার্ক। মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এর দূরত্বও খুব কম—যা একে করে তুলবে বিদেশি দর্শক ও পর্যটকদের জন্যও আকর্ষণীয় গন্তব্য।

২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রেই বসছে ফুটবল বিশ্বকাপের আসর। ফুটবলের রাজপুত্র মেসির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করে তাকে ফ্রিডম পার্কের প্রথম তারকা হিসেবে দেখা—এটাই এখন ইন্টার মায়ামির মূল লক্ষ্য।

আর মেসির মতো একজন সুপারস্টারকে ঘিরে গড়ে উঠছে এমন স্বপ্নের স্টেডিয়াম—যার নাম যেমন স্বাধীনতার প্রতীক, তেমনি যার উদ্দেশ্য এক নতুন ফুটবল ইতিহাস লেখা। এখন শুধু অপেক্ষা সেই চুক্তি নবায়নের ঘোষণার।