রাজধানী উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নামে অবৈধভাবে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দের অভিযোগে রাজউকে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রবিবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট এ অভিযান পরিচালনা করে।
দুদকের জনসংযোগ শাখার তথ্যমতে, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নামে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ১ নম্বর সেক্টরের ১০২ নম্বর সড়কের ৪৪ নম্বর প্লটটি ২০০১ সালে বিচারপতি কোটায় আবেদন করে পেয়েছিলেন। ২০০৪ সালে তার নামে প্লটের সাময়িক বরাদ্দ করে প্রথম কিস্তি জমা দেওয়ার পত্র পাঠানো হলেও তিনি কিস্তি পরিশোধ করেননি। এ কারণে তার নামে বরাদ্দকৃত প্লটটি বিধি মোতাবেক বাতিল করে দেওয়ার কথা হলেও তা করা হয়নি। এরপর ২০০৯ সালে পুনরায় তিনি প্লটটি বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন। তখন রাজউকের বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২০০৫ সাল থেকে পুঞ্জীভূত সুদসহ টাকা জমাদানের শর্তে প্লটটি তার নামে বরাদ্দ প্রদান করা হবে। কিন্তু গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে সুদ ছাড়া শুধু প্রথম কিস্তি পরিশোধ এবং বাকি টাকা অবসর গ্রহণের পর পরিশোধের কথা বলে তিনি প্লটটি বরাদ্দ নেন।
দুদকের অভিযানকালে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। দুদক অভিযানকালে রাজউক থেকে এ-সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশনে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।