ক্যান্ডিতে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৯৯ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। তাতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ এ জিতে নিল স্বাগতিক লঙ্কানরা। শ্রীলঙ্কার করা ৭ উইকেটে ২৮৫ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১৮৬ রানে। বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন তাওহীদ হৃদয়।
আকাশে মেঘের ঘনঘটা নেই, বৃষ্টির আশঙ্কাও ছিল না। তবু তাড়াটা যে কিসের সেটাই বোঝা গেল না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখে।অসিথা ফার্নান্দোর ইনসুইঙ্গিং ইয়র্কার ভেঙ্গে দেয় তানজিদ হাসান তামিমের স্টাম্প, ১৩ বলে ১৭ রানের ইনিংসের ইতি সেখানেই। পরের ওভারে ০ রানে বোল্ড শান্তও। ওয়ানডে নেতৃত্ব হারাবার পর প্রথম সিরিজে তার হালখাতা ২৩, ১৪ ও ০। শান্ত'র স্টাম্প ভেঙ্গেছেন চামিরা।
পারভেজ ইমন আগের ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করে সোমবার প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলেন বড় ইনিংস খেলতে চান। ইনিংসটা বড়ই খেলেছেন, রানে নয় বলে। ৪৪ বলে ২৮ রানের সংগ্রামী ইনিংস। একজন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ২৮৬ রান তাড়ায় এমন ব্যাটিং করলে সেই দলের পরিণতি কি হতে পারে সেটা সহজেই বোধগম্য। মিরাজ কিছুটা ইতিবাচক ব্যাটিং করছিলেন ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ২৫ বলে ২৮ রানে তারও ইতি।
এরপর শামীম পাটোয়ারি ১৮ বলে ১২ রান করে স্টাম্পড হাসারাঙ্গার বলে, ফ্লাইট দেখে এগিয়ে মারতে গিয়েছিলেন কিন্তু খেয়েছেন ধোঁকা। পা ফেরাতে পারেননি দাগের ভেতর। তাওহীদ হৃদয় নিজের নামের পাশে একটা হাফসেঞ্চুরি যোগ করেছেন তবে ৭৮ বলে ৫১ রানের ইনিংসে দলের কোন ক্ষতিবৃদ্ধি হয়নি।
তার আউটের পর আর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বাংলাদেশের ইনিংস। জাকের আলী করেন ২৭ রান। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অলআউট হয় ৩৯.৪ ওভারে, ১৮৬ তে। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ জয়ের সাথে ২-১ ব্যবধানে সিরিজটাও নিশ্চিত করে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
১০ জুলাই থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।