নিজের ইচ্ছায় আসিনি, অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে : সালাহ উদ্দীন

শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে দুরাবস্থা চলছে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জিতলেও ব্যাটিংয়ের রোগ সারেনি। কিন্তু কোচিং প্যানেলের কেউই এই দায় নিচ্ছেন না। এমনকী বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচ সালাহ উদ্দীন, ব্যাটিং শেখানোই তার কাজ তিনিও এই দায় নিতে নারাজ। বরং সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ চাইলেন।

কলম্বোতে আগামীকাল সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে আসেন সালাহ উদ্দিন। মাসে ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা বেতনধারী এই কোচ নিজের বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে একটু চটে গিয়েই বলেন, ‘আজ ২৭-২৮ বছর ধরে কাজ করার পর যদি কেউ বলে, দলে অনেক অভিযোগ। অভিযোগ লিখে দিলে ভালো হতো। পাবলিকলি বলে দিলে হবে না। প্রমাণ দিতে হবে। তখন আমি আমার ভুল শোধরাব। আমি জানি আমি কী? নিজের জায়গায় শতভাগ সৎ কিনা।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো ইগো নেই। বাংলাদেশ দল আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি না এমন না যে আমার এখানে চাকরি করতেই হবে। এখানে আমি নিজের ইচ্ছায় আসিনি।’

চলতি বছর এখন পর্যন্ত পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। কোনো ম্যাচেই দলীয় রান ২৫০ পার করতে পারেননি সালাহ উদ্দীনের ছাত্ররা। শুধু তাই নয়, পাঁচ ম্যাচের চারটিতে পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিংও করতে পারেনি বাংলাদেশ, অলআউট হয়ে গেছে তার আগেই। যেটিতে অল-আউট হয়নি, সেই ম্যাচেও গেছে ৯ উইকেট। কথিত ‘দেশসেরা’ কোচের তত্ত্বাবধানে এমন ফল প্রশ্ন তুলছে দেশের কোচদের কার্যকারিতা নিয়েও।