গোপালগঞ্জের ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উদ্বেগ

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত পদযাত্রা ঘিরে সংঘর্ষ, হামলা ও নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠন। তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো আলাদা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এসব দাবি জানান।

গোপালগঞ্জের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে তারা।

বিবৃতিতে আসক বলেছে, অবিলম্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান করতে হবে। এনসিপি নেতা ও সমর্থকদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি সমাবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবিও আসকের। গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে ঘিরে হামলা সংঘর্ষে যে চারজন নিহত হয়েছেন, তার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।

গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্যদের পক্ষে আনু মুহাম্মদ, সামিনা লুৎফা, কৌশিক আহমেদ, মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, সজীব তানভীর, নাজমুস সাকিব ও অন্য সদস্যরা এই বিবৃতি দিয়েছেন।

সমাবেশের আগে ও সমাবেশ শেষে সমবেত নেতাকর্মীদের ওপর সংঘবদ্ধভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা সশস্ত্র হামলা চালায় বলেও উল্লেখ করেছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।

গোপালগঞ্জে হামলা ও নিহতের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। পরিস্থিতির দায় সরকারকে নিতে হবে বিবৃতি দিয়েছেন দলটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। এক বিবৃতিতে নেতারা বলেন, এনসিপির সমাবেশ এবং ইউএনওসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িতে পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু সরকার এনসিপির সমাবেশের নিরাপত্তা বিধানে ব্যর্থ হয়েছে।