বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘গোপালগঞ্জের ঘটনা প্রমাণ করে, দেশে এখনো স্বৈরাচারের সক্রিয় গোষ্ঠী রয়েছে। নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র চলছে।’ গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের (বিএসপিপি) উদ্যোগে ‘গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ’ শীর্ষক এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ষড়যন্ত্র না
থাকলে গোপালগঞ্জে এমন ঘটনা ঘটতে পারে না। ফরিদপুর, রাজবাড়ি, নড়াইল, ঝালকাঠিসহ সারা দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি কোথাও কিছু হচ্ছে না, শুধু ওখানেই (গোপালগঞ্জ) কেন? স্বৈরাচারের দোসরদের দায়ী করা ঠিক আছে, কিন্তু আমাদের ভেতরেও কিছু ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে, যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। তারা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে। তাদের মুখোশ উন্মোচন করাও আমাদের দায়িত্ব।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কুৎসা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে নিয়েও ব্যঙ্গ করা হয়েছে। এটা রাজনীতির ভাষা নয়, এটা স্বৈরাচারের ভাষা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে চোরাই পথে কেউ কেউ আগামীতে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে, জনগণ তা মেনে নেবে না। দেশের মানুষের মানুষের মধ্যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।’
মিটফোর্ড হত্যকা- প্রসঙ্গে জাহিদ বলেন, ‘এ ঘটনায় দলীয় ট্যাগ দেওয়া যাবে না। অন্যায় যারা করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব। বিচারালয়ে জনগণ যাতে সুষ্ঠু বিচার পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
বিএসপিপির সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরীর পরিচালনয় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি সাংবাদিক রাশেদুল হক, প্রফেসর ডক্টর এমদাদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান চুন্নু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, কৃষিবি শামিমুর রহমান শামীম, সাবেক সচিব আব্দুল বার, প্রফেসর ড. লুৎফুর রহমান প্রমুখ। সভা শেষে প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি মৌন মিছিল কদম ফোয়ারা হয়ে পল্টন মোড় থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।