এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মাঝেই বাংলাদেশে পা রাখলেন এশিয়ার ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভি। আজ বুধবার দুপুরে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী।
এশিয়া কাপের পরিকল্পনার জন্য এই সভা ঘিরে এসিসির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে চলছে টানাপোড়েন। রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য সভায় অংশগ্রহণ করবে না ভারত। সেইসঙ্গে শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, ওমানও এই সভায় আসতে নারাজ। সব জেনেশুনেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তথা এসিসির প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভি ঢাকাতেই সভা করতে চান। ফলে এশিয়া কাপ বয়কট করতে পারে একাধিক দেশ।
গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘এসিসি পাঁচটা ফুল মেম্বার ও ২৫টি সহযোগী মেম্বার নিয়ে কাজ করে। এসিসির কাছ থেকে আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছিল যে, আমরা এই এজিএমটা হোস্ট করতে চাই কিনা। আমরা হোস্ট হিসেবে এটি আয়োজন করছি এবং এসিসি লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছে। আমার মনে হয় না (কেউ বয়কট করবে)। ক্রিকেট সবার উপরে। এর আগে আমরা (এসিসির) এজিএম হোস্ট করিনি। চেষ্টা করব সবাই মিলে ভালো এজিএম করার।’
সূচি অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতে এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলা এবং ভারত-পাকিস্তান সামরিক সংঘর্ষের পর ভেন্যু পরিবর্তন আবশ্যিক হয়ে যায়। নিরপেক্ষ কোনো দেশে টুর্নামেন্ট হলে তবেই ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের মতো দেশ এশিয়া কাপ থেকে সরে দাঁড়ালে টুর্নামেন্ট আয়োজন অসম্ভব হয়ে পড়বে। এশিয়ার প্রথম সারির দল হিসেবে শুধু পাকিস্তান এবং বাংলাদেশই থাকবে!