আরও ১৮ জনকে ঠেলে পাঠাল বিএসএফ

নওগাঁর ধামইরহাট ও সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী শিশুসহ ১৮ জন বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বিজিবি।

বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাট উপজেলার কালুপাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় ১৪ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ। পরে রাত ৩টার দিকে সীমান্ত পিলার ২৭১/১ এস থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কালুপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে বিজিবি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ধামইরহাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটক ১৪ জনের মধ্যে ৯ জন নারী ও পাঁচজন পুরুষ। এদের মধ্যে তিনজন শিশু। তাদের বাড়ি খুলনা, নড়াইল ও যশোরের বিভিন্ন এলাকায় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার ওসি ইমাম জাফর জানান, বিজিবির হস্তান্তর করা ওই ১৪ নারী-পুরুষকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের বাংলাদেশি বলে দাবি করেছেন। তাদের দাবি করা পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কাছ চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতের কোনো সময় সাপাহার উপজেলার বামনপাড়া এলাকা দিয়ে চারজন বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ। রাত সাড়ে ৩টার দিকে সীমান্তের ২৪৬/২ এস পিলারের কাছে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে ওই চারজনকে আটক করে বিজিবি। পরে তাদের সাপাহার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি।

সাপাহার থানার ওসি আব্দুল আজিজ বলেন, বিজিবির হস্তান্তর করা ওই চারজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। এদের মধ্যে দুজনই শিশু। তারা চারজন একই পরিবারের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে তাদের বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলায়। তাদের দাবি করা পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এর আগে ৩১ জুলাই নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্তের আগ্রাদ্বিগুন এলাকা দিয়ে ১০ জনকে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ।