সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা আগে একটি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে চাকরিচ্যুত হন এবং বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগকারী একজন প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তার সাবেক স্ত্রী। সেই অভিযোগের তদন্তে একটি উচ্চপদস্থ বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গতকাল শুক্রবার জানিয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের আগেই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয় এবং তদন্ত শুরু করে। অভিযোগকারীর সামাজিক মর্যাদা ও ঘটনার সংবেদনশীলতা বিবেচনায় সেনা আইন অনুযায়ী সতর্কতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আইএসপিআর বলছে, সেনাবাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী, চাকরিচ্যুত কোনো সদস্য সরকারি বাসস্থান বা অন্যান্য সুবিধা পান না। তবে মানবিক কারণে, ওই প্রাক্তন কর্মকর্তার সন্তানের এসএসসি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় পরিবারটিকে সাময়িকভাবে সরকারি বাসস্থানে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। এ ধরনের অভিযোগের তদন্ত যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে করা হয় এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে উল্লেখ করেছে আইএসপিআর।