অবৈধ অভিবাসী

ম্যাসাচুসেটসে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযান

অবৈধভাবে থাকা অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও দেশে ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে অভিযান শুরু করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) জানায়, ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে ‘অপরাধে জড়িত বিদেশিদের’ ওপর এ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হচ্ছে। তারা আরও জানায়, স্থানীয় কর্র্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়া পাওয়া যৌন অপরাধী, শিশু নিপীড়নকারী, হত্যাকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও গ্যাং সদস্যদেরর গ্রেপ্তার করা হবে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি ডিএইচএসের মুখপাত্র। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অভিযান কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং তাদের অভিবাসন ও শুল্ক কার্যকরবিষয়ক শাখা (আইসিই) এ অভিযানের নাম দিয়েছে ‘প্যাট্রিয়ট ২.০’। এর আগে গত মে মাসে পরিচালিত অভিযানে ১ হাজার ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। একটি সূত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছে, ‘প্যাট্রিয়ট ২.০’ অভিযানের আওতায় মূলত সেসব অভিবাসীকে নিশানা করা হচ্ছে, যারা স্থানীয় কারাগারে হেফাজতে থাকা অবস্থায় ছাড়া পেয়েছেন। এ গ্রেপ্তার অভিযানে ঠিক কতজন ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিকাগোতে অভিবাসীবিরোধী অভিযান শুরুর প্রস্তুতির মধ্যেই ম্যাসাচুসেটসে ধরপাকড় চালানো হচ্ছে।

এদিকে, বোস্টনের মেয়র মিশেল উ’র অভিবাসীবিষয়ক নীতির সমালোচনা করেছেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এক মুখপাত্র। এ নীতির আওতায় ওই এলাকায় অভিবাসন আইন কার্যকরের ক্ষেত্রে ফেডারেল কর্র্তৃপক্ষের সীমাবদ্ধতা থাকে। স্থানীয় কর্র্তৃপক্ষ সেখানে ফেডারেল কর্র্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করে না। এক বিবৃতিতে ডিএইচএসের ওই মুখপাত্র বলেন, মেয়র উ যে ধরনের অভিবাসীবিষয়ক নীতি আরোপ করে রেখেছেন, সেগুলো শুধু অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ই দেয় না, বরং জননিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়।