শ্রীপুরে র‌্যাব অবরুদ্ধের ঘটনায় মামলা, আটক ১৪

গাজীপুরের শ্রীপুরে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে র‌্যাব সদস্যরা উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়ে আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে তারা অবরোধমুক্ত হন। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে মামলা করেছে।

মামলার পর পুলিশ অভিযানে নেমে ১৪ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। একই মামলায় আরও দেড়শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে বরমী ইউনিয়নের বরামা চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অস্ত্র উদ্ধারের পর আটক মোশারফ হোসেনকে ছিনিয়ে নিতে উত্তেজিত জনতা র‌্যাবের গাড়ি ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে তারা বরমী-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে এবং র‌্যাবের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকে।

আটক মোশারফ হোসেন (৩৫) ঢুলিপাড়া গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি বরামা মোড়ে একটি অটোরিকশা মেরামতের গ্যারেজ চালাতেন। র‌্যাব দাবি করেছে, তার গ্যারেজ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এটি সাজানো নাটক; নিরীহ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করতে এমন নাটক সাজানো হয়েছে।

শ্রীপুর মডেল থানার ওসি মহম্মদ আবদুল বারিক জানান, র‌্যাবের গাড়ি অবরুদ্ধের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ১৪ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও দেড়শতাধিককে।

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার চৌধুরী ড. যাবেদ সাদেক বলেন, বরমার বরামা এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে স্থানীয়দের ঝামেলা হয়েছিল। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।