ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে প্রার্থিতা ফিরে পেতে শেষ মুহূর্তে রিট আবেদন করেছিলেন জুলিয়াস সিজার তালুকদার। তবে, তার করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছে উচ্চ আদালত। গতকাল সোমবার বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আবেদনটি সরাসরি খারিজের আদেশ দেয়। জুলিয়াস সিজারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে। তবে, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ার অনুযোগ করে গত ২৭ আগস্ট ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে আইনি নোটিস দেন তিনি। এতে সাড়া না পাওয়ায় প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি।
আবেদনে জুলিয়াস সিজারের নাম ও ব্যালট নম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পাশাপাশি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় নাম ও ব্যালট নম্বর পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে ভোটগ্রহণ স্থগিতের নির্দেশনা চান আবেদনকারী।
গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ জুলিয়াস সিজারের করা রিট আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়। পরে একই বিষয়ে হাইকোর্টের অন্য বেঞ্চে আবেদন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল বিষয়টি শুনানিতে আসে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সরদার আবুল হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অ্যাডভোকেট শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, তার (জুুুলিয়াস সিজার) প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে, ব্যালট পেপার দিতে এবং ভিপি পদে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্ট তার আবেদননি সরাসরি খারিজ করেছেন। অর্থাৎ আগামীকালকে (আজ) ডাকসুর যে নির্বাচন হচ্ছে, তাতে তিনি অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।’