বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ু‘শুধু দেশের জনগণই নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়। তাই ভোটের তিন মাস আগে নয়, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এখন থেকেই নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
গতকাল বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে ঢাকাস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, ‘শুধু দেশের জনগণই নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বাংলাদেশে এবার একটি সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়। ভোটের তিন মাস আগে নয়, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এখন থেকেই ইসিকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। বাংলাদেশের বিষয়ে দেশের জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। বিদেশিদের কাছে নালিশের কিছু নেই, বাংলাদেশে কী হবে তা জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।’
তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়টি সামনে আসায় তিন মাস অপেক্ষা না করে নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া বা তাদের অবগত করার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও বাংলাদেশের দ্রুত গণতান্ত্রিক সরকার দেখতে আগ্রহী। নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।’
ইইউ রাষ্ট্রদূত কি বলেছেন জানতে চাইলে খসরু বলেন, ‘ইইউ বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ও ইসির আনুষ্ঠানিক অনুরোধের পর তারা অবজারভার দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা প্রত্যাশা করছেন, নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ইইউ বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তারা একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করতে, সংসদকে আরও কার্যকর করতে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা জোরদারে সহায়তা করতে চায়।’
খসরু বলেন, ‘ইইউ সংসদকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। শক্তিশালী গণতন্ত্র কাজ করবে যদি একটা শক্তিশালী পার্লামেন্ট থাকে। সে জন্য তারা পার্লামেন্টকে শক্তিশালী করার জন্য, পার্লামেন্টের কার্যক্রমকে অধিকতর কার্যকর করতে সহযোগিতা করতে চায়।’
বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মঈন খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন শামা ওবায়েদ।