রাঙ্গামাটিতে হাসনাত আব্দুল্লাহ

মাফিয়াদের সঙ্গে জোট করবে না এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কোনো চাঁদাবাজ বা মাফিয়াদের সঙ্গে জোট করবে না। যারা সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তাদের সঙ্গেও কোনো জোট হবে না। তবে সংস্কারের পক্ষে যারা আছে, তারা জোটে আগ্রহী হলে এনসিপির দরজা তাদের জন্য উন্মুক্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙ্গামাটির অধ্যাপক কুমার সুমিত রায় জিমনেশিয়ামে তিন পার্বত্য জেলার এনসিপি নেতাকর্মীদের নিয়ে এক সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন দলটির দক্ষিণ অঞ্চলের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংগঠক এ এস এম সুজা উদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ইমন সৈয়দ, দক্ষিণ অঞ্চলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জবাইরুল ইসলাম এবং তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী।

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘আগামী নির্বাচনের আগে গণভোটের অর্ডার আসতেই হবে। সেই অর্ডার ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই বাস্তবায়ন করতে হবে। চুপ্পুর (রাষ্ট্রপতি) হাত থেকে গণভোটের অর্ডার বা জুলাই সনদ নেওয়া যাবে না। তার চেয়ে বিষ খেয়ে মরে যাওয়া ভালো। জুলাই সনদে ড. ইউনূসের স্বাক্ষরই থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে প্রশাসন, পুলিশ ও মিডিয়াকে হাতিয়ার বানানো হয়েছিল। এবার জনগণকে সুষ্ঠু ভোট দেওয়ার সুযোগ দিন। পরে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে জাতি হিসেবে কেউ আমাদের ক্ষমা করবে না।’

এনসিপি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সব রাজনৈতিক দলকে সেখানে আসতে হয়েছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‘‘সংখ্যা দিয়ে ‘পিচ্চি ও চিল্ড্রেন পার্টি’ বলে লাভ নেই। নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে আগামী ১০ বছর পর এনসিপিই সরকার গঠন করবে।’’

পাহাড়ে শান্তির রোল মডেল গড়বে এনসিপি

সভায় জবাইরুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগের রাজনীতি চায় না। আমরা সংবিধান সংস্কার ও চুপ্পুকে অপসারণ চাইলাম, তখন বড় দলগুলো আমাদের বিপরীতে দাঁড়িয়েছিল। এই সরকার সংস্কার ও আওয়ামী লীগের বিচার শেষ না করে নির্বাচন দিতে ব্যস্ত। পাহাড়ের প্রতিটি ঘরে এনসিপির দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। এনসিপির নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তির রোল মডেল হবে।’

ইমন সৈয়দ বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ এনসিপিকে যেভাবে গ্রহণ করেছে, তাতে তিন আসনেই আমাদের প্রার্থী জয়ী হবে। পাহাড়ের সমস্যা ঢাকায় বসে সমাধান করা যায় না। যারা পাহাড়ে বাস করে, তাদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান খুঁজতে হবে।’