দিনের শেষবেলায় গ্যাভিন হোয়ের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়লেন মাহমুদুল হাসান জয়। থামল তার ৯১ বলে ৬ চারে ৬০ রানের ইনিং। একইসঙ্গে অবসান হলো সাদমান ইসলামের সঙ্গে তার ১১৯ রানের ওপেনিং জুটি। সিরিজে দ্বিতীয়বার শতরানের জুটি উপহার দিলেন তারা। দিনশেষে সাদমান ইসলাম অপরাজিত আছেন ১১০ বলে ৬৯* রানে। তার সঙ্গী মুমিনুল হকের রান ১৯*। দুই ইনিংস মিলিয়ে লিড হয়েছে ৩৬৭ রানের।
৫ উইকেটে ৯৮ রান নিয়ে আজ শুক্রবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে আয়ারল্যান্ড। ৬ষ্ঠ উইকেটে ১৫০ বরে ৮১ রানের জুটি গড়েন লরকান টাকার এবং স্টিফেন দোহানি। ৭৭ বলে ৪৬ রান করা দোহানিকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। অ্যান্ডি ম্যাকব্রেইনও শূন্য রানে তাইজুলের শিকার হন। ৮ম উইকেটে ৭৪ রানের আরেকটি জুটি উপহার দেন টাকার এবং জর্ডান নেইল। দুজনের মধ্যে টাকার শেষ পর্যন্ত ১৭১ বলে ৭ চারে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
৮৩ বলে ৪৯ রান করা জর্ডান নেইলকে মুমিনুল হকের গ্লাভসবন্দি করে আড়াই বছর পর টেস্টে শিকার ধরেন এবাদত হোসেন। চোটের কারণে লম্বা সময় মাঠের বাইরে থাকা এই পেসার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গত জুনে মাঠে ফিরেছিলেন। তবে ১৪ ওভার বোলিং করে ছিলেন উইকেটশূন্য। আজ ম্যাথু হ্যাম্পায়ার্সকে(৪) তাইজুল ইসলাম শিকার করলে ৮৮.৩ ওভারে ২৬৫ রানে অল-আউট হয় আয়ারল্যান্ড। ৩৫.৩ ওভার বল করে ৬ মেডেনসহ মাত্র ৭৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তাইজুল। দুটি করে নিয়েছেন খালেদ আহমেদ এবং হাসান মুরাদ।
সুযোগ পেয়েও আয়ারল্যান্ডকে ফলোঅন করায়নি বাংলাদেশ। হয়তো শততম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিককে আরেকটি সেঞ্চুরির সুযোগ দিতে কিংবা আইরিশদের ওপর রানের বোঝা চাপাতেই এই সিদ্ধান্ত। টাইগারদের দারুণ শুরু এনে দেন সাদমান এবং মাহমুদুল। ৭৫ বলে ফিফটি পূরণ করেন মাহমুদুল আর সাদমানও ৭৬ বলে ফিফটি পূরণ করেন। ১ উইকেটে ১৫৬ রান তুলে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ।