ইংল্যান্ডকে পৌনে দুইশ রানে আটকে দিয়ে স্বস্তিতে নেই অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজের প্রথম দিনেই তো পার্থে ১৯ উইকেট পতন হয়েছে! দুই দলের পেসাররা মুড়ি মুড়কির মতো উইকেট তুলে নিয়েছেন। ইংল্যান্ডের ১৭২ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ১২৩ রানে দিন শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া। তারা এখনো পিছিয়ে আছে ৪৯ রানে। মিচেল স্টার্কের ৭ উইকেটের জবাবে বেন স্টোকস নিয়েছেন ৫ উইকেট।
আজ শুক্রবার পার্থে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারের শেষ বলে জ্যাক ক্রলিকে (০) তুলে নেন মিচেল স্টার্ক। এরপর একে একে তার শিকারে পরিণত হন বেন ডাকেট (২১), জো রুট (০), অধিনায়ক বেন স্টোকস (৬) এবং গাস অ্যাটকিনসন। এরপর জেমি স্মিথ (৩৩) এবং মার্ক উডকে পরপর দুই বলে আউট করে তিনি ইংল্যান্ডের ইনিংসে ইতি টেনে দেন।
ইংল্যন্ডের ইনিংসে একমাত্র ফিফটি এসেছে হ্যারি ব্রুকের ব্যাট থেকে। ৬১ বলে তিনি করেছেন ৫২ রান। এছাড়া ওলি পোপ ৪৬ রান করেছেন। মাত্র ১২ রানের মধ্যে ইংলিশদের শেষ ৫ উইকেটের পতন ঘটে। স্টার্কের ১০১ টেস্টের ক্যারিয়ারে এটি ১৭তম পাঁচ বা ততোধিক উইকেট শিকারের ঘটনা। ইনিংস শেষে তার বোলিং ফিগার দাঁড়িয়েছে ১২.৫ ওভারে ৪ মেডেন এবং মাত্র ৫৮ রান খরচ করে ৭ উইকেট।
ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দিয়ে অজিরাও খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না। তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে আছেন জোফরা আর্চার, মার্ক উড, ব্রাইডন কার্স এবং গাস অ্যাটকিনসরা। তাই অস্ট্রেলিয়ার মতো ইংল্যান্ড শূন্য রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে। আর্চারের ছোবলে অভিষেক ম্যাচে ‘ডাক’ মেরেছেন জ্যাক ওয়েদারাল্ড। এরপর ভয়ংকর হয়ে ওঠেন বেন স্টোকস। মাত্র ২৩ রানে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে ধসিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার।
স্টোকসের ক্যারিয়ারে এটা ৬ষ্ঠ পাঁচ বা ততোধিক উইকেট শিকারের ঘটনা। ইংলিশদের বোলিং তোপে অজি ক্রিকেটারদের কেউ ত্রিশের ঘরেও যেতে পারেননি। অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ করেছেন ১৭ রান। সর্বোচ্চ ২৬ রান এসেছে অ্যালেক্স ক্যারির ব্যাট থেকে। ইংল্যান্ডের হয়ে স্টোকস ছাড়াও দুটি করে উইকেট পেয়ছেন জোফরা আর্চার এবং ব্রাইডন কার্স। অ্যাশেজে ১৯০৯ সালের পর টেস্টের প্রথম দিনে আজই সর্বোচ্চ ১৯ উইকেট পড়ার ঘটনা ঘটল।
‘লাঞ্চের আগে চা খেতে আমার কোনো সমস্যা নেই’ –সুদর্শনের রসিকতা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির লড়াইয়ে সাকিবকে ছুঁলেন তাইজুল