সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

পাসপোর্ট দিয়ে প্রবাসীদের ভোটার হওয়ার সুযোগ দাবি

বাংলাদেশি পাসপোর্টকে পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণ করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, প্রবাসী অনেকেরই জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। নতুন করে এনআইডি দেওয়ার এবং তাদের ভোটার করার উদ্যোগ সব দেশে হয়নি। সময়ও সীমিত ছিল। সেজন্য আমরা অনুরোধ করেছি যে, এনআইডির পাশাপাশি তাদের বাংলাদেশের পাসপোর্টকে পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করে তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক এমন কথা বলেন বিএনপির এ নেতা। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া। নজরুল ইসলাম বলেন, এখনো অনেক ফেক পাসপোর্ট আছে, অনেকেই ভোটারের যোগ্য নন। আমরা চাই না তারা ভোটার হোক। তাই প্রস্তাব করেছি যে, যাদের পাসপোর্টের মাধ্যমে ভোটার আহ্বান আসবে, তারা চাইলে তাদের পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে পারে।

তিনি বলেন, এবার অসংখ্য প্রবাসী ভোট দেবেন। আমাদের যারা সমর্থক আছে, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি আছে, সবাইকে অনুরোধ করেছি প্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসাহিত করতে। যেন তারা এ সুযোগ গ্রহণ করে। আমরা মনে করি, হয়তো আরও কিছু করা সম্ভব ছিল। কিন্তু যতটুকু হচ্ছে, সেটা ধরেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রবাসীদের ভোটের জন্য ন্যাশনাল আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এবং দূতাবাসগুলো প্রচারণা চালাচ্ছে। ১৯ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে এবং ২২ তারিখ প্রায় ৩ হাজার ২৭০ জন ইতিমধ্যেই নিবন্ধিত হয়েছে। এটি একটি অগ্রগতি।

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের অধিকার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। আল্লাহর মেহেরবানিতে এখন নির্বাচন কমিশন প্রবাসীদের ভোটার করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা কার্যকর হয়েছে। তবে সৌদি আরব, ইউএইসহ অন্যান্য দেশে যেখানে প্রবাসীদের সংখ্যা বেশি এবং যোগাযোগ বা যাতায়াত সমস্যা আছে, সেখানে নিবন্ধনের সময় বাড়ানো দরকার।