সিলেটের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কীভাবে দেশ চালাবে জানতে চেয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তা

জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা জেমস এ. স্টুয়ার্ট। সোমবার বিকালে নগরীর বন্দরবাজারের কুদরত উল্লাহ মার্কেটস্থ মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের সহকারী রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মো. ইকবাল মাহমুদ। জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মতবিনিময়কালে মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তা আগামী নির্বাচনের জন্য জামায়াতের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চান।

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কীভাবে দেশ চালাবে অর্থাৎ তাদের ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চেয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তা। 

জবাবে সিলেট জামায়াতের শীর্ষ নেতারা জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরেন। এছাড়া দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের মতামত সম্পর্কে অবহিত হন মার্কিন কর্মকর্তা।

বৈঠকে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর ও সিলেট-১ আসনে (মহানগর ও সদর) জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সিলেট-৪ আসনের (গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ) জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী, জেলা জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা মাহফুজা সিদ্দিকা, মহানগর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ফৌজিয়া রহমান শিউলি, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি সাহিম খানম হেপি ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি ডা. আঙ্গুরা বেগম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তার সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের ভূমিকার কথা জানিয়েছি। 

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নে জামায়াতের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয় তুলে ধরেছি। এছাড়া অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে মার্কিন সমর্থন অব্যাহত রাখার ব্যাপারে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে।’