জানুয়ারির মধ্যে পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে লং মার্চ

জানুয়ারির মধ্যে পে-স্কেল বাস্তবায়ন চায় সরকারি কর্মচারীরা। ডিসেম্বরের মধ্যে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ১০ জানুয়ারি কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশ।

গতকাল বুধবার অর্থ উপদেষ্টা বরাবর সংগঠনের মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এসব কথা জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সুপারিশ চূড়ান্তকরণ পর্যায়ে গিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে অনুকূল নয়।

সংগঠনটি দাবি করে, বিদ্যমান ২০টি গ্রেড ভেঙে ১০টি ধাপে পুনর্গঠন করে ১:৪ অনুপাতে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে। এতে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর হবে। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় লাগামহীনভাবে বাড়ায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বেতন কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে দেরি হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ দাবি আদায়ে ৬ ডিসেম্বর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সচিবালয় অভিমুখে লং মার্চ করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা সম্ভব হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাই কর্মচারীরা এ বিষয়ে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।