বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন

নিরপেক্ষ প্রশাসন ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারের দাবি

সাতকানিয়া-লোহাগাড়া থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিগত ৫ আগস্ট রাতে লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র প্রশাসন এখনও উদ্ধার করতে পারেনি। আমাদের আশংকা এসব অস্ত্র ভোটের সময় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ব্যবহার হতে পারে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যহত হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাছাড়া অস্ত্র উদ্ধার না হলে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যেও আতংক বিরাজ করবে। এছাড়াও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিরপেক্ষ প্রশাসন না থাকলে নির্বাচন কোন অবস্থাতে সুষ্ঠু হবে না।  

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে লোহাগাড়া উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন চট্টগ্রাম-১৫ সংসদীয় আসন তথা সাতাকানিয়া-লোহাগাড়ার বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় প্রশাসন এখনও পর্যন্ত এ অস্ত্র উদ্ধার না করে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। বর্তমানে জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবে বলে জানান নাজমুল মোস্তফা। 

এসময় উপস্থিত দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসহাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিএনপি ৭১ বিরোধী কোন সংগঠন নই। এছাড়া বিএনপি ২৪ জুলাই আন্দোলনকে ধারণ করে। বিগত দিনে এ আসনে জামায়াত-শিবিরের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়ার কারনে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেতা-কর্মীদের মনে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। আপনারা জানেন তাদের মাধ্যমে এ এলাকায় নানা হত্যাকাণ্ড হয়েছে। জামায়াত কোন সময় স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপিকে সহযোগিতা করে নাই। আজ প্রায় ৩০ বছর পর সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় (চট্টগ্রাম-১৫) স্থানীয় একজন বিএনপি নেতাকে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দেয়ায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মনে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।  

জানা যায়, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আসনে স্থানীয় বিএনপির কোন প্রার্থী ধানের শীষ থেকে মনোনয়ন পাননি। 

এছাড়াও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছলিম উদ্দিন চৌধুরী খোকন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারিনি। কিন্তু একটি দল প্রশাসনকে নির্বাচনে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আমরা নিরপেক্ষ প্রশাসন চাই।

এ সাংবাদিক সম্মেলনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফৌজুল কবির ফজলুর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেলসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।