তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জামায়াত আমির

দেশের স্বার্থে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগে বিএনপির সঙ্গে আবারও বসার ইচ্ছের কথা বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থে মিলেমিশে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জামায়াত আমির। এ সময় তিনি তারেক রহমানকে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠক শেষে জামায়াত আমির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) জাতির জন্য যে অবদান রেখেছেন তার পাওনাটাই আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি পেয়েছেন। তার এই পাওনা দেখে আমরাও অনুপ্রাণিত হই। আমরাও যদি জাতির জন্য সেরকম অবদান রাখতে পারি হয়তো এদেশের মানুষ আমাদেরও এরকমই বিদায় দেবে। এটা সবার কপালে জোটে না। এই সম্মানটা পাওয়া, মানুষের চোখের পানি দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা পাওয়া, এটা বিশাল ব্যাপার।

তিনি বলেন, দেশ এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে আছে। সামনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট। সংস্কারের জন্য গণভোট আর সরকার গঠনের জন্য সাধারণ নির্বাচন। ১২ তারিখের এই নির্বাচন নির্বিঘœ হোক, সুন্দর হোক এবং গ্রহণযোগ্য হোক, আমরা এই দোয়া করি। আজকে এ বিষয় নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি এবং আমরা এটাও বলেছি প্রিয় দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আগামীতেও দেশের স্বার্থে ইনশাআল্লাহ আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

জামায়াত আমির বলেন, তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতারা একই আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছেন। আমরাও একই আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছি। এমনকি আমরা এটাও বলেছি যে পাঁচটা বছরের জন্য জাতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটা সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে আমরা সবাই মিলেমিশে ভালো কোনো চিন্তা করতে পারি কি না, সে ব্যাপারে কথা বলেছি। বিএনপি নেতারাও একই কথা বলেছেন।

এ সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ও মোবারক হোসাইন।