গণভোট প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ

নিরপেক্ষ থাকতে হবে সরকারি কর্মচারীদের

গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না, তবে জনগণকে সচেতন ও অবহিত করার কাজ করতে পারবেন। এমন অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল ও ভিজিলেন্স অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ  এ কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, গণভোট নিয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। বিদ্যমান আইনই স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি জানান, গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫-এর ২১ নম্বর ধারায় উল্লেখ আছে, সাধারণ নির্বাচনে যেসব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেগুলো গণভোটের ক্ষেত্রেও নিষিদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। সাধারণ নির্বাচনের মতো গণভোটেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো পক্ষ বা বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না। তবে তারা জনগণকে ভোট সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন বলে স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনার।

আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আরও বলেন, গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কোনো অর্থ ব্যয় করা হয়নি এবং নতুন কোনো নির্দেশনাও জারি করা হয়নি; শুধু আইনের বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।