ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের প্রস্তুতি শেষ পর্যায় চলছে। লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ১২২টি ভোট কেন্দ্রে মালামাল সামগ্রী নিচ্ছেন ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাগণ। এতে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারসহ যাবতীয় সামগ্রী পৌঁছানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশন স্ব কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ব্যালটসহ মালামাল সামগ্রী গুলো বুঝে নিচ্ছেন।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা টিপু সুলতান ও মো. আকতার হোসেন বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট এবং অন্যান্য মালামাল বুঝে নিয়েছি। এগুলো কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পৌঁছানো হবে। এবার ভোটের কাজ ও দায়িত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাপক। জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট রয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে টানা সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটের সংখ্যা গুনে রেজাল্ট দিতে একটু সময় বেশি লাগতে পারে বলে তারা জানান।
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ভোটের মাঠে ৯ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করলেও ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছে ৫ জন। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (ধানেরশীষ), জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এ আর হাফিজ উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খালেদ সাইফুল্লাহ (হাতপাখা), জেএসডির তানিয়া রব (তারা), বাসদের এড. মিলন মণ্ডল (মই) প্রতিকে মাঠে থাকছেন।
স্থানীয় ভোটার মো. ইউছুফ নোমান বলেন, ভোটযুদ্ধে চৌমুখি লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা এবং তারা প্রতীক। তবে ধানের শীষ প্রতীকের সঙ্গে ত্রিমুখী লড়াই হবে। সর্বশেষ বিএনপির প্রার্থী জিতবে। কারণ এই আসন সবসময় বিএনপির খাঁটি হিসেবে বেশ পরিচিত।
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৪ লাখ ১৮ হাজার ১শত ৬০ জন ভোটার রয়েছে। এতে পুরুষ রয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৪শত ৮৩ জন। মহিলা রয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬ শত ৭৬ জন। হিজলা রয়েছে মাত্র ১জন। এদিকে পোস্টাল ভোট রয়েছে ৫ হাজার ৮ শত ৬৭ জন।
সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট এবং ভোট কেন্দ্রে মালামাল সামগ্রী প্রিসাইডিং এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পৌঁছানো হচ্ছে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সম্পূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ভাবে ভোটের দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত কেন্দ্রে থাকবে। কোনধরণের ঝামেলা হলেই সঙ্গে সঙ্গে একশনে যাবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।