লেবু শসা বেগুনের দাম চড়া, কমেছে পেঁয়াজে

নিত্যপণ্যের চড়া বাজারের মধ্যে কমেছে পেঁয়াজের দাম। তবে নতুন করে না বাড়লেও আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে লেবু, শসা, বেগুন, কাঁচামরিচের মতো পণ্যগুলো। যেগুলো সাধারণত ইফতারে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর সঙ্গে চড়া দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে, কলা, পেয়ারা, আনারস, বরইসহ দেশি-বিদেশি ফলগুলো।

প্রথম রোজায় ঢাকার খুচরা ও পাইকারি বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথম রোজায় দেশি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা করে কমে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। যা একদিন আগেও ছিল ৭০ টাকার ঘরে। বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুম হওয়ায় ব্যাপক সরবরাহ তৈরি হয়েছে পেঁয়াজের। এ কারণে একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী চাইলেও দামটা বাড়িয়ে রাখতে পারেনি। একদিনের ব্যবধানেই কমে গেছে।

তবে কমেনি অন্যান্য পণ্যের দাম। এর মধ্যে এখনো সবচেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে লেবু। লেবুর দাম শুধু চড়াই নয়, অনেক ক্ষেত্রে অপরিণত লেবু বাজারে বিক্রি করতে গেছে। প্রতি হালি লেবু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ১২০ টাকার মধ্যে। শসার দাম আরও খানিকটা বেড়েছে। প্রতি কেজি শসা মানভেদে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের শসায় মিলছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। দেশি শসাগুলো আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম প্রথম রোজায় বেগুনের দাম আরও খানিকটা বেড়েছে। ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়া বেগুনগুলো প্রথম রোজায় ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম আগের মতোই ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে কিছু কিছু বিক্রেতাকে ১৬০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এর বাইরে মাছ ও মাংসের দামে পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগির মাংস একেক বাজারে একেক রকম দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। যেমন গুদারাঘাট কাঁচাবাজারের কিছু দোকানি ১৯০ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করলেও কোনো কোনো দোকানিকে ২০০ থেকে ২১০ টাকাও দাম চাইতে দেখা গেছে। তবে সোনালি মুরগির দাম চড়া। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে।

গরুর মাংসের দামও কমেনি। বেশিরভাগ খুচরা বাজারগুলোতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। কিছু কিছু দোকানে ৭৮০ টাকায়ও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে চড়া দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি জাতের ফল। এর মধ্যে সাগর কলা প্রতি ডজন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। সবজি কলার আকার ভেদে প্রতি ডজন ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে পেয়ারার। প্রতি কেজি পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। বরই আকার ও মানভেদে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া বিদেশি ফলের মধ্যে সাদা আঙ্গুর ৪৪০ থেকে ৪৫০ টাকা, আপেল মানভেদে ৩৭০ থেকে ৪৫০ টাকা, মাল্টা ৩৬০ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া খেজুরের দাম রোজার আগেই বেড়েছে।