কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন ও বাস সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে শেফালী আক্তার নামে এক নারী বাদী হয়ে রেলক্রসিংয়ের দায়িত্বে থাকা মো. হেলাল ও মেহেদী হাসানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলাটি করেন।
ইতোমধ্যে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রেলক্রসিংয়ের ওই দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
মামলার বাদী শেফালী আক্তার নিহত সোহেল রানার খালা। সোহেল রানা (৪৬) চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাসিন্দা ও মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফিরে পরিবারসহ ভ্রমণে বের হয়েছিলেন।
গত ২১ মার্চ দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ওই রেলক্রসিংয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা লক্ষ্মীপুরগামী একটি বাসকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ট্রেন ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নার- শিশুসহ ১২ জন নিহত হন এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। সংঘর্ষের পর বাসটি ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে যায় এবং প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে হিচড়ে নিয়ে যায়। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় তদন্তে তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।