নীলফামারীতে ঝড়ে ৪৯৩ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি

নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতেে এলাকার বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার(২৭মার্চ) রাতে বয়ে যাওয়া ঝড়ে ৪৯৩ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা গেছে। শনিবার(২৮মার্চ) রাতে জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয় ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তাণ্ডব ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্টরা মাঠপর্যায়ে গিয়ে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ করেছেন।

এতে জানানো হয় ভুট্টা ৩২৫ হেক্টর, বোরো ধান ১৫০ হেক্টর, মরিচ ১৫ হেক্টর ও কলা ৩ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর ভুট্টা, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের বোরো ধান ১৫০, ভুট্টা ২০০, মরিচ ১৫ ও কলা ৩ হেক্টর এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ভুট্টা ৫০ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) জাকির হোসেন প্রাথমিক জরিপের মাধ্যমে প্রাপ্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জেলায় বোরো, ভুট্টা,মরিচ ও কলা ফসের অর্জিত জমির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯১৩ হেক্টর ছিল। এতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়ে বর্তমানে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে প্রায় ২০০টি টিনের ঘর সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। তবে জেলার ত্রাণ ও পূনর্বাসন দপ্তরে বাড়ি-ঘড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো আসেনি।