গাড়ি পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে ভাইয়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন তামিম

মাঠের পারফরম্যান্সে ক্রিকেটারদের উৎসাহ জোগাতে এবার বড়সড় পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিউজিল্যান্ড ও চলমান পাকিস্তান সিরিজে সেরা ক্রিকেটারদের বাইক উপহার দেওয়ার পর এবার পুরস্কারের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে বিলাসবহুল গাড়ি। আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশের ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ (সেরা খেলোয়াড়) পাবেন একটি চেরি ব্র্যান্ডের গাড়ি।

মঙ্গলবার (১২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি ও জনপ্রিয় গাড়ির ব্র্যান্ড চেরির মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সেরা বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে এই পুরস্কারটি প্রদান করা হবে।

সবশেষ ২০ বছর আগে বিসিবি থেকে কোনো ক্রিকেটারকে পুরস্কার হিসেবে গাড়ি দেওয়া হয়েছিল। সেই স্মৃতিচারণা করে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, 'সামনে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ হবে। সেখানে বেস্ট ভ্যালুয়েবল বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে একটা গাড়ি দেবে চেরি। সর্বশেষ এ রকম দেওয়া হয়েছিল আমরা যখন প্রথম টেস্ট জিতি ২০০৫ সালে। আমার ভাই (নাফিস ইকবাল) পেয়েছিল। প্রায় ২০ বছরের বেশি সময় পর আবার চেরি এই উদ্যোগ নেওয়ায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।'

গত কয়েক বছরে স্পন্সর বা বড় ব্র্যান্ডগুলোর সাথে বিসিবির দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। বর্তমান অ্যাড-হক কমিটি সেই ইমেজ পুনরুদ্ধারে কাজ করছে বলে দাবি করেন তামিম, 'চেরির মতো ব্র্যান্ড বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে গত দেড়-দুই বছরে বিসিবির রেপুটেশন যে ড্যামেজ হয়েছিল ঐ জায়গা থেকে বের হয়ে এসে চেরির মতো ব্র্যান্ড আসা খুব ইতিবাচক। গত সিরিজে ও এই সিরিজে বাইক কোম্পানি এসেছে। তারা আমাকে যে সম্মান দেখিয়েছেন, সেটা পুরোটাই বিসিবির প্রাপ্য। বোর্ড সবচেয়ে বড় জিনিস, এরপর ইন্ডিভিজ্যুয়াল।'

নিউজিল্যান্ড সিরিজ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সেরা খেলোয়াড় হয়ে বাইক জিতেছিলেন পেসার শরীফুল ইসলাম। এবার পুরস্কারের মান আরও বাড়িয়ে ক্রিকেটারদের উদ্দীপ্ত করতে চায় বোর্ড। তামিম বিশ্বাস করেন, বড় বড় কোম্পানি ক্রিকেটে বিনিয়োগ করলে ক্রিকেটারদের মধ্যেও ভালো করার বাড়তি তাড়না তৈরি হবে।

আগামী ৯ জুন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের পরের দুটি ওয়ানডে ১১ ও ১৪ জুন। এরপর ১৭ জুন শুরু হবে টি-টোয়েন্টি লড়াই। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বাকি দুটি ম্যাচ ১৯ ও ২১ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।