প্রায় ৩ ঘণ্টার বৈঠক, একাধিক এজেন্ডা। আজ সবকিছু নিয়েই আলচনা করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা৷ তবে দুটি বিষয় নিয়ে সব থেকে বেশি কথা হয়েছে। উপস্থিত একজন পরিচালক বলেন, ‘আলোচনার বেশিরভাগই ছিল লিটন দাসকে নিয়ে। তার অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম টেস্টে না পাওয়া অনেক ক্ষতি৷ কেন এমন হলো সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷ এর সঙ্গে জেলা কোচদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কথা হয়েছে।’
কাফ ম্যাসেলের চোটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলতে পারবেন না লিটন। তবে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১ তারিখ দলের সঙ্গেই পাঠানোর পরিকল্পনা তার। আরেক পরিচালক বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি সে দলের সঙ্গে যাক। দ্বিতীয় টেস্টে যেন খেলতে পারে, সেটাই এখন প্রত্যাশা আমাদের।’
মেডিকেল বিভাগের জবাবদিহিতা নিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘লিটন দাসের ইনজুরি নিয়ে নির্বাচক এবং মেডিকেল ডিপার্টমেন্টকে শোকজ করা হয়েছে। লিটন কেন জিম্বাবুয়ে গেল যদি সে ফিট না থাকে, সেই জবাবদিহিতা চাওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ যদি কাজ ঠিকমতো না করে, তাকে জবাবদিহি করতে হবে। অতীতে সিলেক্টর বা ফিজিওদের শোকজ করার কালচার ছিল না, কিন্তু এখন সেটি হচ্ছে। মেডিকেল ডিপার্টমেন্টকে আরও এফিশিয়েন্ট হতে হবে। আমরা রিহ্যাব ম্যানেজার হিসেবে মারিও ভিলাভারায়ানকে আবার ফিরিয়ে আনছি।’
তামিম জানান, শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো মেডিকেল ব্যবস্থাপনাই নতুন করে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
এছাড়া জেলা কোচ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয় বুধবারের বোর্ড সভায়। আগেরবার ঠিকঠাক প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি৷ নিজেদের ভুল ধরতে পেরে এবার সাবধানী হতে চাই বোর্ড।
তবে কোচ হতে চাওয়া পরীক্ষার্থী যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংবাদ সম্মেলনে সেটা আর গোপন করেননি বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, ‘আমি কোচদের কিছু পরীক্ষার খাতা দেখেছি। সেখানে একটা প্রশ্ন ছিল, ওয়াইড বলে কী কী আউট হওয়া যায়। সেখানে একটা উত্তর দেখলাম বোল্ড আর এলবিডাব্লিউ। এই ধরনের যারা উত্তর করেছে তাদের কোচিংয়ে না আসাই ভালো। আরেকজন অফ সাইডের পাঁচটি পজিশনের নামের জায়গায় লিখেছেন 'মিড উইকেট'। কোচিংয়ে মৌলিক জ্ঞানটুকু তো তাদের থাকতে হবে।’
