যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ

ভোগান্তি ছাড়াই পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রী পারাপার

ঈদুল আজহার ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে। ভোগান্তি ছাড়াই নিরাপদে ফেরি-লঞ্চে পারাপার হচ্ছে যাত্রীরা। তবে, ঢাকা থেকে আসা যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) পাটুরিয়া ঘাটে সরেজমিনে দেখা যায়, সকালে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কম থাকলেও দিন বাড়ার সাথে সাথে তা বাড়তে থাকে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেলা সোয়া ১১টার দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে নৌযান চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক ঘন্টা বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়ে। ফেরি-লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হলে ঘাটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

নবীনগর থেকে আসা মো. হাসান শেখ দেশ রূপান্তরকে বলেন, স্বাভাবিক সময়ে নবীনগর থেকে পাটুরিয়া ঘাটে  ভাড়া ১২০ টাকা হলেও তাকে ২০০ টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে নীলাচল বাসে। ভাড়া বেশি নিলেও রাস্তায় কোন ভোগান্তি ছাড়াই ঘাটে এসে পৌঁছেছেন তিনি।

অপর যাত্রী ফয়সাল বলেন, নবীনগর থেকে পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত ২০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আসতে হচ্ছে। এটাতো আমাদের জন্য জুলুম। প্রশাসনের নজরদারি থাকলে হয়তো ভাড়া বেশি নেওয়ার কোন সুযোগ পাবে না। তবে ঘাটে এসে ভোগান্তি ছাড়াই নিরাপদে লঞ্চে উঠতে পেরেছি।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাম হোসেন বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ঘরমুখো মানুষ যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে লক্ষে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে আলাদাভাবে ফেরিতে উঠানো হচ্ছে, যাতে পারাপার আরও নিরাপদ ও শৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ের কারণে মাঝে মাঝে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। সে সময় আমরা যাত্রীদের অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত পারাপারের ব্যবস্থা করি।