মার্কিন চাপের মুখে যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে কিউবা

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসন মোকাবেলায় জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবা। এ লক্ষ্যে ‘পারিবারিক নির্দেশিকা’ নামে একটি আদেশ জারি করেছে দেশটির সরকার। এতে সম্ভাব্য হামলার সময় পরিবারগুলোর করণীয় ও বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কিউবার ‘সব মানুষের যুদ্ধ’ প্রতিরক্ষা মতবাদের ভিত্তিতে এ নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর গৃহীত এই নীতিতে গেরিলা যুদ্ধ, স্থানীয় মিলিশিয়া ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশি আগ্রাসন প্রতিরোধের পরিকল্পনা রয়েছে।

গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হ্যালেন ইয়াফে বলেন, কিউবার প্রায় সবাই সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেনেজুয়েলার মতো সহজে কিউবায় অভিযান চালানো সম্ভব হবে না। লাতিন আমেরিকা বিশ্লেষক কার্লোস মালামুদ জানান, কিউবার সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার তুলনায় বেশি প্রশিক্ষিত ও আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে কিউবার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে দেশটির চারপাশে সামরিক উপস্থিতিও বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সম্পর্কের কারণে কিউবা তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।