পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। রবিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা সাগরপাড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে। তবে সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কোন মামলা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন চরআন্ডা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস খান। তার পক্ষের আটজন আহত হয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন একই ওয়ার্ড যুবদলের বহিষ্কৃত সভাপতি কামাল শিকদার। তার পক্ষের ছয়জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজন গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। আহত আরও দুজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কামাল শিকদারের দাবি, চরআন্ডার একটি চরের প্রায় ২০০ একর খাস জমিতে ইদ্রিস খানের নেতৃত্বে ধান চাষ এবং সেখানে গবাদিপশু চরাতে বাধা, মারধর ও হুমকির প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত।
অন্যদিকে ইদ্রিস খানের দাবি, তার দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয় কিশোরীকে কামাল শিকদারের ভাইয়ের ছেলে সিয়াম শিকদার উত্ত্যক্ত ও তুলে নেওয়ার চেষ্টা করায় বিরোধের সূত্রপাত হয়।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের বিষয়ে তিনি অবগত। কোনো পক্ষ এখনো অভিযোগ বা মামলা করেনি। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।