ঋতুপর্ণারা এখন চীনে, ভিসা জটিলতায় জিমিরা

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এখন চীনের গুয়াংজুতে। একই দেশে অ-২০ এশিয়া কাপ হকিতে অংশ নিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের নারী ও পুরুষ হকি দলও। এরই মধ্যে এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে আজ রাতে চীনের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে জাতীয় হকি সিনিয়র হকি দলও।

তবে এশিয়ান গেমস সামনে রেখে বাংলাদেশ হকি দলের প্রস্তুতিতে এখনও কাটেনি ভিসা জটিলতা। এশিয়ান গেমসের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার সমাধান হলেও কার্ডগুলো এখনই ঢাকায় পাঠাতে পারছে না আয়োজকরা। ফলে খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমি, কোচ গেরহার্ড পিটার ও ম্যানেজার আরিফুল হক প্রিন্সকে ভিসা নিয়েই জাপানে যেতে হবে।

এশিয়ান গেমসের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাওয়ার বিষয়ে জিমি, প্রিন্স ও কোচের নিশ্চয়তা এসেছে। কিন্তু কার্ড হাতে পেতে দেরি হওয়ায় তাদের বিকল্প পথে জাপানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। জাপানের ভিসা করতে হলে পাসপোর্ট দূতাবাসে জমা দিতে হয়, যা পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সময়সাপেক্ষ করে তুলেছে।
আজ রাতে চীনের উদ্দেশে দলের রওনা হওয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসে যান হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক ও দলের ম্যানেজার আরিফুল হক প্রিন্স। দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি জানান, রবিবার ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার সময় জানানো হবে। প্রিন্স বলেন, ‘আমরা সবাই আজ চীন যাচ্ছি। জাপান দূতাবাস রোববার মেইলের মাধ্যমে জানাবে কবে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পর তিন কর্মদিবস লাগবে।’ ভিসা প্রক্রিয়ার কারণে জিমি, প্রিন্স ও ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ ডন- এই তিনজনকে দলের অন্যদের তুলনায় আগেই চীন থেকে ফিরতে হতে পারে। প্রিন্স জানান, প্রয়োজন হলে তারা ৯ সেপ্টেম্বরই দেশে ফিরবেন।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। বাংলাদেশ হকি দলের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে জাপানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা। তার আগে ১১ সেপ্টেম্বর চীন থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে দলের।

চীন থেকে সরাসরি জাপানের ভিসা নেওয়ার সুযোগ আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখেছিল হকি ফেডারেশন। তবে ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাস জানিয়েছে, চীন থেকে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।

ফলে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে চীনে যাওয়ার পাশাপাশি ভিসা জটিলতাও সামলাতে হচ্ছে বাংলাদেশ হকি দলকে। এশিয়ান গেমসের মতো বড় আসরের আগে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন জিমি-প্রিন্সদের ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করাই ফেডারেশনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।