কালিগঙ্গা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীতে রাতের আঁধারে অবৈধ মাটিকাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে কয়েকটি গ্রামের শত শত নারী পুরুষ   মানববন্ধন করেছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কালী গঙ্গা নদীর উপর তরা ব্রিজে এ মানববন্ধনে পৌলী খাগড়াকুড়ি ও চামটা গ্রামের কয়েক শত নারী পুরুষ এতে অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পৌলী গ্রামের বাসিন্দা মো. ওমর ফারুক, নিলুফা বেগম, খাগড়া কুড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইজুদ্দিন শেখ, আলেয়া বেগম, চামটা গ্রামের বাসিন্দা, মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, আমিরজান বেগম, আব্দুল আলী, শামসুল হক প্রমুখ।

বক্তারা বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত রাতের আঁধারে কালিগঙ্গা নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার ও কাটার মেশিন দিয়ে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে বাড়িঘর ফসলি জমি নদী গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অবৈধ মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়। কিন্তু আবেদন করার পরেও রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন ও মাটি কাটা বন্ধ হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে কয়েকটি গ্রামের নারী পুরুষ  রাজপথে মানববন্ধন  করছি।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা যুবদলের এক প্রভাবশালী নেতার নেতৃত্বে কালিগঙ্গা নদী থেকে রাতের আঁধারে মাটিকাটা ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধভাবে মাটি কাটার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার ফলে শত শত বাড়িঘর আসলে জমি নদী গর্ভের বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

অবৈধভাবে মাটি কাটার মেশিন দিয়ে মাটি ও বালু উত্তোলনের ফলে বাড়িঘর ও তিন ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা বাড়িঘর ও জমি রক্ষার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  নাজমুন আরা সুলতানা মোবাইল ফোনে জানান তিনি মিটিংয়ে আছেন। এডিএম এর সঙ্গে কথা বলতে বলেন।