‘রাড্ডা দখলের সাথে জড়িতদের বিচারে কোনো গড়িমসি চলবে না’

বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব জাহিদ সুজন শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যুক্ত বিবৃতিতে মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা ভাঙচুর ও দখলের ঘটনার চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেন ও প্রতিবাদ জানান।

তারা দুইজন অবিলম্বে হামলা ভাঙচুর ও দখলের সাথে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনত বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। 

তারা বলেন, মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা ভাঙচুর ও দখলের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারে কোনো গড়িমসি চলবে না। সংঘবদ্ধ দখলদারি কর্মকাণ্ড সমাজে আইনের শাসনের পরিপন্থী। এই ঘটনায় জড়িতদের বিচার না করতে পারলে দখলদারদের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে। দখলবাজি, দঙ্গলবাজি, হামলা, ভাঙচুর, ছিনতাই, ডাকাতিসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৌরাত্ম্য থামাতে না পারলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না।

তারা আরও বলেন, ২৪’র গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম জনআকাঙ্ক্ষা ছিল সমাজ থেকে এসব নৈমিত্যিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দূর করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের প্রতি আহ্বান অবিলম্বে সারা দেশে জননিরাপত্তা জোরদার করুন। সকল সেবাদান প্রতিষ্ঠানে বিনা হয়রানিতে জনসেবা নিশ্চিত করতে তদারকি ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা জোরদার করুন। 

যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা বলেন, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৪ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের মানুষদের মাতৃ ও শিশুসেবাসহ শিশুদের টিকাদান, শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে। রাড্ডা ভাঙচুর ও দখলের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের অল্প টাকায় সেবার পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হলো। রাড্ডা দখলের মাধ্যমে অপরাধীরা আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে। অপরাধীরা বিএনপি হোক বা যে দলেরই হোক না কেন গণবিরোধী এসব সংঘবদ্ধ অপরাধকর্ম প্রতিহত করতেই হবে। 

তিনি আরও বলেন, ভাঙচুর ও দখল করে যেহেতু সাইনবোর্ড টানিয়েছে সেহেতু অপরাধীরা প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত। এখন অবিলম্বে তাদের আইনত বিচারের আওতায় আনা পুলিশের কাজ। দখলবাজ, দঙ্গলবাজ, দুর্নীতিবাজ, হামলাকারী ডাকাতদের দল থেকে ও সরকারি-বেসরকরি সকল প্রতিষ্ঠান থেকে বিতারিত করে পাড়া থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত শৃঙ্খলা, জনসেবা ও পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।