তাইবুরের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢাকা

দ্বিতীয় দিন শেষেই বরিশালের হারের শঙ্কা জেগেছিল। খুলনার বিপক্ষে আজ তিন দিনেই ইনিংস ব্যবধানে হেরে গেছে তারা। তাইবুর রহমানের সেঞ্চুরির পর তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে শূন্য রানে ফিরিয়ে রংপুরের বিপক্ষে সুবিধাজনক অবস্থায় চলে গেছে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থাকা ঢাকা বিভাগ। আর শেষ দিনে রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষায় সিলেট–ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম–রাজশাহী ম্যাচ।

মিরপুরে প্রথম ইনিংসে রংপুর ৩৪০ রান করলে ব্যাট করতে নেমে চাপে পড়ে ঢাকা। আজ তাইবুরের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। আগের দিনের ১২০ রানের সঙ্গে আরেকটি বড় জুটি গড়ে ঢাকার ইনিংসকে ২৮৪ পর্যন্ত নিয়ে যান তাইবুর। শেষ পর্যন্ত ১০৮ রানে থামেন তিনি। সুমন খান খেলেন ৯৪ রানের ইনিংস। 

৫৬ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর। ৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আজ চতুর্থ ও শেষ দিনে এই ম্যাচটি বেশ নাটকীয় পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে।

আগের দিন মাহমুদুল হাসান জয় সেঞ্চুরি করেছিলেন। আজ চট্টগ্রামে আরেকটি আরেকটি সেঞ্চুরি হয়েছে। রাজশাহীর বিপক্ষে শতক পূর্ণ করেন জয়ের উদ্বোধনী সঙ্গী সাদিকুর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। সঙ্গে ইরফান শুক্কুরের ৮৬ এবং তাসামুল হকের ৫০ রানের সৌজন্যে ৩৯৩ রান করে চট্টগ্রাম। এস এম মেহরব নেন ৪ উইকেট। রাজশাহী প্রথম ইনিংসে করে ৩৬৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৪৬ রান তুলে ১৭ রানের লিড পেয়েছে তারা।

সিলেটে ময়মনসিংহ এগিয়ে ১৩২ রানে। প্রথম ইনিংসে ময়মনসিংহকে ৩১১ রানে থামিয়ে ৩২৭ রান করেন জাকির হাসানরা। দলটির হয়ে আসাদউল্লাহ আল গালিব ৬৭ এবং তোফায়েল আহমেদ ৫৯ রান করেন। আজিজুল হাকিম রনি নেন চার উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই ১৪৮ রান যোগ করে ময়মনসিংহ। খালিদ হাসান ৫৭ রানে আউট হলেও মাহফিজুল ইসলাম রবিন ৮৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে ৭১-এ আউট হওয়া রবিন এবার সেঞ্চুরি করতে পারেন কিনা দেখার বিষয়।