জয়ের ব্যাট থেকেই মৌসুমের প্রথম সেঞ্চুরি, রুয়েলের ৫ উইকেট

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম

প্রথম দিন ৬ জন ব্যাটার ৭০ প্লাস স্কোর করেও সেঞ্চুরি করতে পারেননি। এদের মধ্যে খুলনার মোহাম্মদ মিঠুন নব্বুইয়ের ধরে গিয়ে আউট হন। শেষপর্যন্ত এনসিএলের এবারের আসরের প্রথম সেঞ্চুরিটা এসেছে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের ব্যাট থেকে। আর প্রথম ৫ উইকেট পেয়েছেন বরিশালের পেসার রুয়েল মিয়া।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্টেডিয়ামে রাজশাহীকে ৩৬৪ রানে গুটিয়ে দেয়ার পর খেলতে নেমে জয় আর সাদিকুর রহমান ওপেনিং জুটিই দ্বিতীয় দিনের বাকি সময় ব্যাট করে চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসে ১৯০ রান তুলেছেন। ১৬৬ বলে ফার্স্ট ক্লাস ক্যারিয়ারে সপ্তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জয়। এই ইনিংসের পথে ক্যারিয়ারের ৩ হাজার রানের মাইলফলকও ছুয়েছেন ডান হাতি ব্যাটার। ৮টি বাউন্ডারির সঙ্গে দুটি ছক্কা হাকানো জয় ১০২ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গে সাদিকুর সেঞ্চুরি থেকে ১৪ রান দূরে আছেন আর। 

এর আগে সকালে ৬ উইকেটে ২৯০ রান নিয়ে খেলতে নামা রাজশাহী ২৫ ওভারে আরো ৭৪ রান যোগ করে। বা চট্টগ্রামের বাহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ৩৭ ওভার বোলিংয়ে ৯৬ রানে নেন ৪ উইকেট। এনামুল হক আশিক নেন তিন উইকেট। মাহমুদুল হাসান জয়ও নিয়েছেন এক উইকেট।

ক্যারিয়ারে অষ্টম বার ৫ উইকেট নিলেন রুয়েল মিয়া

রুয়েলের ৫ উইকেট, কিন্তু ফলোঅনে বরিশাল

দুদিনেই জয়ের সুবাস পাচ্ছে খুলনা। ৪২৬ রান করার পর বরিশালকে ৯৪ রানে গুড়িয়ে দিয়ে ফলোঅনে বাধ্য করেছে মোহাম্মদ মিঠুনের দল। বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৪৩ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে। 

৫ উইকেটে ৩২৮ রান রিয়ে প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং আবার শুরু করেছিল খুলনা সকালে। আরো ৯৮ রান যোগ করে তারা। ৫০ করা আফিফ হোসেন ধ্রুবকে আউট করেন রুয়েল মিয়া। সবশেষ আব্দুল হালিমকে বোল্ড করে ক্যারিয়ারে অস্টমবার ৫ উইকেট নেন এই পেসার (২৭.৫-২-৮০-৫)। 

পরে বরিশালের প্রথম ইনিংস ২৯ ওভারেই গুড়িয়ে দেন খুলনার বোলাররা। ৩টি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান রানা ও শেখ পারভেজ জীবন। বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন তাদের অধিনায়ক ইফতেখার রহমান ইফতি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ইফতি ১ রানের বেশি করতে পারেননি। জাওয়াদ আবরার শূণ্যতেই আউট হয়েছেন। 

মিরপুরে বিপদে ঢাকা

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ৬ উইকেটে ২২৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা রংপুরের প্রথম ইনিংস থামে ৩৪০ রানে। দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং শুরু করা ঢাকা দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ১২০ রান তুলে। ৭৪ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর তাইবুর রহমান (৩২*) ও সুমন খান (১৯*) আর বিপদ বাড়তে দেননি। রংপুরের মিডিয়াম পেসার চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান সর্বোচ্চ ২ উইকেট পেয়েছেন।

রিজওয়ান এর আগে ব্যাটিংয়ে রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন। আট ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক খেলোয়াড়ের এটি প্রথম ফিফটি। ঢাকার বাঁহাতি স্পিনার আরিফ আহমেদ ৯২ রানে নেন ৪ উইকেট।

সিলেটের লিড নেওয়ার লড়াই

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ২৭৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা ময়মনসিংহ আজ অলআউট হয়েছে ৩১১ রানে। সিলেটের পেসার তোফায়েল আহমেদ এবং দুই স্পিনার নাঈম আহমেদ ও নাবিল সামাদ ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। একটি উইকেট নিয়েছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির প্রথম ক্রিকেটার অনিক দেব বর্মন। 

সিলেট প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান তুলে দিন শেষ করেছে। দলটির অধিনায়ক ও ওপেনার জাকির হাসান করেছেন সর্বোচ্চ ৬০ রান। পাঁচে নামা আসাদউল্লাহ আল গালিব অবশ্য ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত