সরকার-এনজি যৌথ উদ্যোগে সাশ্রয়ী চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিতের আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

সরকার ও এনজিওগুলোর যৌথ উদ্যোগে সাশ্রয়ী চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

সরকারি,বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীরা একসঙ্গে কাজ করে সচেতনতা বাড়াতে এবং সবার কাছে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য চোখের চিকিৎসা পৌঁছে দিতে পারলে আরও অনেক মানুষ সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারবেন বলে মনে করে তিনি। 

আইএনজিও ফোরাম অন আই হেলথ ইন বাংলাদেশের বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সিরডাপ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ড. দুর্গা পি. পাওডিয়াল কনফারেন্স হলে আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,‘কাজ করা ও শেখা, নিরাপদে চলাফেরা এবং সমাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার জন্য ভালো দৃষ্টিশক্তি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে মনে রাখতে হবে যে সময়মতো চোখের যত্ন ও চিকিৎসা পেলে দৃষ্টিজনিত অনেক সমস্যা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অফথালমোলজি অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক ডা. সৈয়দ মেহবুব উল কাদিরের  সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইএনজিও ফোরামের চেয়ার ও সাইটসেভার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. মহসীন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএপিবির বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কান্ট্রি চেয়ার ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ, ওএসবির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মো. জিন্নু রেইন (নিউটন) ও ওএসবির প্রেসিডেন্ট ডা. মো. তৌহিদুর রহমান, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের প্রোগ্রাম হেড ডা. আফসানা হাবিব শিউলি।

প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়। চোখের স্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং সহজলভ্য ও মানসম্মত চোখের চিকিৎসাকে গুরুত্ব দেওয়াই এ দিবসের মূল লক্ষ্য। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস (আইএপিবি)-এর নেতৃত্বে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ৮ অক্টোবর বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ পালিত হচ্ছে।