র‌্যাংকিংয়ের পাশাপাশি নিজেদের মানদণ্ড নিজেরা যাচাই করি

বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

র‌্যাংকিং আমার কাছে একটি আয়না, লক্ষ্য নয়। এটি দেখায় বিশ্বের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং কোন জায়গায় ঘাটতি আছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গবেষণা অংশীদার ও নিয়োগদাতারা র‌্যাংকিং দেখেই প্রথম ধারণা নেন, তাই একে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তবে র‌্যাংকিংয়ের পেছনে ছুটতে গিয়ে যদি শ্রেণিকক্ষের মান, শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তি বা গবেষণার সততা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে সেটি হবে আত্মঘাতী। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা র‌্যাংকিংকে দেখি ভালো কাজের উপজাত ফল হিসেবে। ভালো পড়ানো, ভালো গবেষণা আর বিশ্বের সঙ্গে যুক্ততা থাকলে র‌্যাংকিং নিজে থেকেই আসে। আমরা র‌্যাংকিংয়ের পাশাপাশি নিজেদের মানদণ্ড নিজেরা যাচাই করি।

আপনার বিশ্ববিদ্যালয় গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুদান, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন ও যৌথ প্রকল্প থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে কি?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এনএসইউ বৈশ্বিক শিল্পখাতের অর্থায়নের বাইরে বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকে গবেষণা অনুদান সংগ্রহের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। গত দুই বছরে আমরা প্রায় ৬০টি বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে অর্থায়ন পেয়েছি, যার মধ্যে তিনটি চীনা, দুটি জাপানি এবং একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যদিও এসব অনুদানের পরিমাণ এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত, তবে এগুলো আমাদের গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক ভূমিকা রাখছে। উদাহরণস্বরূপ, গুগলের অনুদানে এনএসইউতে একটি সাইবার নিরাপত্তা ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই ল্যাবকে কেন্দ্র করে আমরা সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করছি এবং শিক্ষার্থীদেরও এসব গবেষণায় সম্পৃক্ত করছি। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও প্রকৌশল খাতেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় গবেষণা চলছে। জাপানের নিপ্পন কোই ও জাইকা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহযোগিতার পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজ, কিংস কলেজ লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব নটিংহাম, ইয়েল ইউনিভার্সিটি এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউডব্লিউসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষণা সহযোগিতা ও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এসব সহায়তার মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু গবেষণা পরিচালনা করছি। আমাদের শিক্ষকরা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, ইউনেস্কো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে অনুদান পেয়েছেন। এ ছাড়া, চীনের একটি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ন্যানোস্যাটেলাইট নির্মাণের একটি প্রকল্প পেয়েছি। কানাডার ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (আইডিআরসি) এবং যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পের আওতায় আমাদের ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স সেন্টার বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক গবেষণায় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে। এসব উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান ও গবেষণার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশে একটি উদ্ভাবনী স্বাস্থ্যসেবা যন্ত্র তৈরি করার জন্য আমরা একটি স্থানীয় কোম্পানির কাছ থেকেও অর্থায়ন পেয়েছি। আমরা মনে করি, গবেষণার অনুদান শুধু অর্থের বিষয় নয়; এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময়, শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ত করা এবং দেশের বাস্তব সমস্যার সমাধানে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করে।

গবেষকের ব্যক্তিগত সাফল্য কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণাসংস্কৃতির বিকাশ ও তরুণ গবেষক তৈরিতে ভূমিকা রাখে?

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির একদল শিক্ষক নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য গবেষণাসাফল্য অর্জন করেছেন। আমাদের প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রিধারী, যাদের অনেকেই উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন। তারা নিজ নিজ গবেষণাক্ষেত্রে সুপরিচিত এবং তাদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা এখন শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। এই শিক্ষকরা গবেষণাভিত্তিক দল গড়ে তুলছেন, যেখানে তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞ গবেষকদের সঙ্গে কাজ করে গবেষণাপদ্ধতি শেখার পাশাপাশি নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে অবদান রাখছেন। তাদের তত্ত্বাবধানে এআই, রোবোটিকস, স্টার্টআপ ও অন্যান্য উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে নতুন ধারণা ও প্রকল্প বিকশিত হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু গবেষণাপত্রের সহলেখক হওয়ার সুযোগই পাচ্ছে না, বরং বাস্তব সমস্যার সমাধান, সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের অভিজ্ঞতাও অর্জন করছে। আন্তর্জাতিক গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থায়নকারী সংস্থার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ এনএসইউর গবেষণার পরিসর আরও বিস্তৃত করছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বিশ্বমানের গবেষণা সম্ভব, এই আস্থা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। এই  অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ গবেষণার সুযোগ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নতুন অর্থায়ন আকর্ষণেও সহায়ক। তবে আমাদের লক্ষ্য শুধু কয়েকজন উচ্চমানের গবেষক তৈরি করা নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও বেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। এর ফলে একজন গবেষকের ব্যক্তিগত সাফল্য পুরো বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করবে।

শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকা নিয়ে কিছু বলুন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির গবেষণার সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হলো বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় আমাদের শিক্ষকদের ধারাবাহিক অন্তর্ভুক্তি। সর্বশেষ তালিকায় এনএসইউর সাতজন গবেষক স্থান পেয়েছেন। এটি আমাদের শিক্ষকদের গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের অবদানের প্রতিফলন।

প্লেজিয়ারিজম শনাক্ত ও গবেষণার সততা যাচাইয়ে কী ব্যবস্থা আছে? এগুলো কি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য?

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিমালা ও পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার আওতায়। গবেষণার সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের অবস্থান শূন্য সহনশীলতার। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব রিসার্চ গবেষণায় অসদাচরণ এবং স্বার্থের সংঘাতসংক্রান্ত নীতিমালাসহ দায়িত্বশীল গবেষণা চর্চা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো অনুসরণ করে। গবেষণাপত্র ও প্রস্তাবের মৌলিকত্ব যাচাইয়ে প্লেজিয়ারিজম শনাক্তকরণ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি, প্রতিটি গবেষণা প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা কমিটি এবং অফিস অব রিসার্চের পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যায়। মানুষ বা প্রাণীকে সম্পৃক্ত করে পরিচালিত গবেষণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নৈতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ডের (আইআরবি) পর্যালোচনাও গুরুত্বপূর্ণ। এসব নীতিমালা ও প্রক্রিয়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ভুয়া গবেষণাপত্র ও তথ্য তৈরি এবং ভুয়া জার্নালে প্রকাশের ঝুঁকি মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেন?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষণার ক্ষেত্রে যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি ভুয়া গবেষণা, মনগড়া তথ্য তৈরি এবং অসাধু জার্নালে প্রকাশের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। এটি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই একটি চ্যালেঞ্জ। আমরা এআইয়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এনএসইউতে এআই ব্যবহারের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা রয়েছে। গবেষণার মৌলিকত্ব, তথ্যের সত্যতা এবং প্রকাশনার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করতে একাধিক পর্যায়ে পর্যালোচনা করা হয়। গবেষণাপত্র প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট জার্নালের মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করা হয়, যাতে ভুয়া বা অনির্ভরযোগ্য জার্নালে গবেষণা প্রকাশের ঝুঁকি কমানো যায়। গবেষণায় অসদাচরণ বা নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ও যথাযথ পরিণতির বিধানও রয়েছে। পাশাপাশি, গবেষণার মান বজায় রাখতে এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতিমালা হালনাগাদ করতে আমরা কাজ করছি।

শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে শিক্ষাদানের দক্ষতা, গবেষণার মৌলিকত্ব ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রাখা হয়?

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির মূল্যায়ন তিনটি প্রধান ক্ষেত্রের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয় - শিক্ষাদান, গবেষণা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের প্রতি অবদান। আমরা মনে করি, একজন শিক্ষকের সাফল্য শুধু গবেষণাপত্রের সংখ্যা দিয়ে নয়, বরং তার শিক্ষাদানের মান, গবেষণার মৌলিকত্ব এবং সেই গবেষণার বাস্তব প্রয়োগের সক্ষমতা দিয়েও মূল্যায়ন করা উচিত। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, গবেষণার মান ও প্রকাশনা, শ্রেণিকক্ষে  শিক্ষাদানের কার্যকারিতা এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন বিবেচনা করা হয়। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে তাদের অবদান এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততাও গুরুত্ব পায়।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে এগোতে সরকার, ইউজিসি বা অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কাছ থেকে কী সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন?

গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবধান কমিয়ে আনা জরুরি। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধরন নয়, বরং যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গবেষণা, উচ্চশিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রথমত যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা অনুদান, শিক্ষাবৃত্তি এবং পিএইচডিসহ উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা প্রকল্প এবং আধুনিক গবেষণাগার ও অন্যান্য গবেষণা সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ করা প্রয়োজন। গবেষণা প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অনুমোদনপ্রক্রিয়া দ্রুত করাও গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে এবং মান নিশ্চিত করতে কার্যকর তদারকি বজায় রাখতে হবে। যোগ্যতা ও সম্ভাবনার ভিত্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে।