বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। একসময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা সংশয় ছিল। শিক্ষার মান, শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণার সুযোগ এবং সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠত। তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্রে পরিবর্তন এসেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন শুধু শিক্ষার্থী ভর্তি ও ডিগ্রি প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; তারা গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শিক্ষক উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক র্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ের নির্দিষ্ট সূচকে তারা দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও ভালো অবস্থান তৈরি করছে। এই পরিবর্তন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার জন্য আশাব্যঞ্জক।
বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় নব্বইয়ের দশকে। উচ্চশিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প সুযোগ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ খাতের বিকাশ ঘটে। বর্তমানে দেশের ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ১৭ হাজার ৭৯৩ জন। বিপরীতে শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৩ জন।
র্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা : বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র্যাংকিং এখন উচ্চশিক্ষার মান মূল্যায়নের অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশ্বের বিভিন্ন র্যাংকিং সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা, গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত, সুনাম এবং অন্যান্য সূচকের ভিত্তিতে অবস্থান নির্ধারণ করে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় বিনিয়োগ, শিক্ষকদের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে উৎসাহ দেওয়া, আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা এবং গবেষণার ফলাফলকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার চেষ্টা বাড়ছে।
এসব উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়েও প্রতিফলিত হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অন্যতম স্বীকৃত র্যাংকিং হিসেবে বিবেচনা করা হয় টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং ও কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং। দুটি র্যাংকিংয়েই দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বিগত বছরের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা করে নিয়েছে। টাইমস হায়ার এডুকেশনের র্যাংকিংয়ে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশের ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, র্যাংকিংয়ে ভালো করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত শক্তিশালী করতে হবে। আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ের বিভিন্ন সূচক ও মানদন্ড থেকে বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি কার্যকর মানদ- তৈরি করতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাস্তবতা, সক্ষমতা ও জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার মান, গবেষণা, উদ্ভাবন, কর্মসংস্থানযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা এসব কিছুর সমন্বিত মূল্যায়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার রূপান্তরের লক্ষ্যে ইউজিসি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনার আওতায় গবেষণার মানোন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ব র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় : কিউএস তালিকায় দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বে ৯০১ থেকে ৯৫০তম অবস্থানের মধ্যে রয়েছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি রয়েছে ১ হাজার ১ থেকে ১ হাজার ২০০তম অবস্থানের মধ্যে। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) রয়েছে ১ হাজার ৪০১তম বা তার পরের অবস্থানে।
টাইমস হায়ার এডুকেশনের (টিএইচই) ২০২৬ সালের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিংয়েও বাংলাদেশের মোট নয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মূল র্যাংকিংয়ে স্থান পেয়েছে। এগুলোর মধ্যে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি রয়েছে বিশ্বের ৮০১ থেকে ১ হাজারতম অবস্থানের মধ্যে। এ ছাড়া এই তালিকায় ১ হাজার ১ থেকে ২০০০-এর মধ্যে রয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি), ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি।
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশি শিক্ষক : যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের এই তালিকায় বাংলাদেশ থেকে স্থান পেয়েছেন ৩৪৭ জন গবেষক।
এই তালিকায় বাংলাদেশি গবেষকদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুনতাসির মুর্শেদ। বাংলাদেশে তার র্যাংক ২ এবং বিশ্ব র্যাংক ৯৫৭। পরিবেশ বিজ্ঞান তার গবেষণার উপক্ষেত্র। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। বাংলাদেশে তার র্যাংক ৪ এবং বিশ্ব র্যাংক ৭ হাজার ৮৮৫। তার গবেষণার উপক্ষেত্র ফলিত পদার্থবিজ্ঞান। সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মো. রবিউল ইসলাম। বাংলাদেশে তার র্যাংক ৭ এবং বিশ্ব র্যাংক ১৪ হাজার ৩২৭। তার গবেষণার উপক্ষেত্র অনকোলজি ও কার্সিনোজেনেসিস। দশম অবস্থানে রয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষক গোলাম রসূল। বাংলাদেশে তার র্যাংক ১০ এবং বিশ্ব র্যাংক ১৬ হাজার ৭৩২। তার গবেষণার উপক্ষেত্র এগ্রোনমি ও কৃষি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এমন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রমাণ করে, সুযোগ ও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে দেশের শিক্ষক-গবেষকেরা বিশ্বপরিসরে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে গবেষণার সুযোগ ও সম্পদের পার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত মেধা, অধ্যবসায় এবং ধারাবাহিক গবেষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
পাবলিক বনাম প্রাইভেট নয়, প্রয়োজন সুস্থ প্রতিযোগিতা : বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। অথচ দেশের উচ্চশিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে এই বিভাজনের চেয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা, জ্ঞানচর্চা, শিক্ষক তৈরি এবং জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অন্যদিকে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
এ দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা আলাদা হতে পারে। তাই একটিকে এগিয়ে দেখাতে গিয়ে অন্যটিকে খাটো করার প্রয়োজন নেই। বরং কোন বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে ভালো করছে, কোন উদ্যোগ থেকে অন্যরা শিখতে পারে এবং কীভাবে সামগ্রিক শিক্ষার মান বাড়ানো যায় সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।
অগ্রযাত্রার পথে চ্যালেঞ্জও কম নয় : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির চিত্র আশাব্যঞ্জক হলেও সব প্রতিষ্ঠানের অবস্থা এক নয়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও আন্তর্জাতিকীকরণে এগিয়ে থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণার পরিবেশ, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং একাডেমিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার চেয়ে ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে না পারলে সামগ্রিকভাবে এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করা কঠিন হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে প্রথমেই প্রয়োজন যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ ও তাদের পেশাগত বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা। শিক্ষকদের শুধু পাঠদান নয়, গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির জন্যও সময় দিতে হবে। গবেষণা অনুদান বাড়ানো, আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনার জন্য সহায়তা, গবেষণার নৈতিকতা নিশ্চিত করা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের গবেষণায় যুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর উচিত মান নিশ্চিতকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা। র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থান অর্জনের জন্য যেন কেবল প্রচারনির্ভর উদ্যোগ নেওয়া না হয়, বরং শিক্ষার মান ও গবেষণার বাস্তব উন্নয়ন ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
র্যাংকিং নয়, মানসম্মত শিক্ষা হোক মূল লক্ষ্য : আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থান অর্জন নিঃসন্দেহে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সম্মান ও সম্ভাবনার বিষয়। এতে বিদেশি শিক্ষার্থী আকৃষ্ট করা, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পরিসরে পরিচিতি তৈরির সুযোগ বাড়তে পারে। কিন্তু র্যাংকিংকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র লক্ষ্য বানানো উচিত নয়।
সংশ্লিষ্টদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত সাফল্য নির্ধারিত হয় শিক্ষার্থীরা কতটা জ্ঞান অর্জন করছে, তারা কর্মক্ষেত্রে কতটা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে, গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান তৈরি হচ্ছে কি না এবং সেই জ্ঞান সমাজ ও রাষ্ট্রের কাজে লাগছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তরে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক তালিকায় ভালো অবস্থানে থেকেও যদি শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে সেই অবস্থানের তাৎপর্য সীমিত হয়ে যায়।
বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামনে এখন নিজেদের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে অগ্রগতি, গবেষকদের স্বীকৃতি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে এ খাত দেশের উচ্চশিক্ষায় আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।
এ জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, গবেষণায় বিনিয়োগ, যোগ্য শিক্ষক তৈরি, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তার সুযোগ বাড়াতে হবে, যাতে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের সুফল সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছায়।