শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কত কেন্দ্রে ইভিএম দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত: সিইসি

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৮, ০৫:১৭ পিএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, কত কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

কারচুপির আশঙ্কা জানিয়ে ইভিএম ব্যবহারে বিরোধী দলগুলোর আপত্তি এবং ইভিএম ম্যানিপুলেশন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কার মধ্যেই কমিশনের অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করলেন সিইসি।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর ইটিআই ভবনে ইভিএম প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি বলেন, “ইভিএম একটি নতুন উদ্যোগ। ব্যালটে ভোট দেয়ার যে ঝামেলা সেটি দূর করতে হবে। ইভিএমের মাধ্যমে সেটা হতে পারে। ইতোপূর্বে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে কোনো আইনগত বাধা নেই। সেটা আমরা ব্যবহার করব।”

“কতটি ভোট কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত হবে।”

নূরুল হুদা বলেন, যেখানে ইভিএম ব্যবহার হবে, সেখানে কয়েকদিন আগে মানুষকে বোঝাতে হবে যাতে কোন সমস্যা না থাকে। ভোটারদের বোঝাতে হবে।

বিএনপিপ্রধান বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পাশপাশি বেশ কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। তাদের দাবি, ইভিএম ম্যানিপুলেশন করে ভোটের ফলাফল বদলে দেয়া সম্ভব।

সম্প্রতি ভোটে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রেও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে ইভিএম প্রকল্পের সঙ্গে শুরু থেকে জড়িত বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ কয়েকদিন আগে একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ইভিএমে বিশেষ প্রোগ্রামের মাধ্যমে একটি পর্যায়ে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে বেশি ভোট দেয়া সম্ভব।

ভারতে এ ধরনের এক অভিযোগে দেখা যায়, একটি ইভিএমে যে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলেই তা ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপির ‘পদ্মফুল’ প্রতীকে গিয়ে জমা হচ্ছে।

এবিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “বিভিন্ন দল ইভিএমের বিরোধিতা করে। তারা এটি এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখুক। তাদের লোক দিয়ে ইভিএমের টেকনিক্যাল বিষয় জানুক তাহলে সংশয় কেটে যাবে।”

এদিকে বিএনপির মনোনয়নপত্র নিতে রাজধানী ঢাকায় এসে গত রোববার অপহৃত হন যশোর জেলার সহসভাপতি ও কেশবপুরের মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু বকর আবু। পরে বুড়িগঙ্গ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন সিইসি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত