কমিশনের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছেন সুবর্ণচরের নির্যাতিতা গৃহবধূ

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:১৪ পিএম

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে নির্যাতিতা গৃহবধূ। অন্যদিকে এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনসহ গ্রেপ্তার অপর এক আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়া, রিমান্ডে থাকা অপর এক আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা গৃহবধূ মানবাধিকার কমিশনের প্রকাশিত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি তাদেরকে বলেছি ধানের শীষে ভোট দেয়ায় আমাকে ধর্ষণ ও অত্যাচার করা হয়েছে। তারা আমার কিছু কিছু কথা বাদ দিয়ে রিপোর্ট দিয়েছে। তা আমি মানতে পারব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বা আমার পরিবারের কোন সহায় সম্পত্তি নাই। আমার ছেলেমেয়েকে বিয়েশাদি করাই নাই। আমাদের কোন ব্যবসা-বাণিজ্য নাই। তাই আমাদের সঙ্গে কোন পূর্ব শত্রুতাও নাই।

এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লে চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ডাক্তার ও নার্সরা তাকে সান্ত্বনা দেন। কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমা আক্তার জানান, এভাবে রোগী মানসিক আঘাত পেলে বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

এদিকে,গণধর্ষণের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনকে ২ দিন ও ভুলুকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন নোয়াখালীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক নবনীতা গুহ। এছাড়া, রিমান্ডে থাকা আসামি মুরাদ রিমান্ডের চতুর্থ দিনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ১১ জনের মধ্যে ৮ জন ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করলেন।

এদিকে, এলাকার ভূমিহীন মরিয়ম বেগম (৩২) জানান, যারা সাংবাদিকদের কাছে এবং এলাকায় আসা লোকজনের নিকট মুখ খুলেছে, রুহুল আমিনের সাঙ্গপাঙ্গরা তাদের সামান্য যা জমিন ও বসত বাড়ি রয়েছে তা দখল করে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত