দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

টেন্ডার জালিয়াতিতে সম্পৃক্ততা অস্বীকার আনিসুরের

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ০৩:৩১ এএম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শতকোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে সহকারী পরিচালক (বাজেট) ডা. আনিসুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপপরিচালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে দুদকের তিন সদস্যদের দল বেলা ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমি বাজেট শাখায় কাজ করি। আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বাজেটপত্রে স্বাক্ষর করি। টেন্ডার জালিয়াতির মাধ্যমে যেসব কাজে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে ওই সব টেন্ডার প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমি জড়িত নই।’ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কেউ জড়িত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন।’ এই বক্তব্যের বিষয়ে দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, তার বক্তব্য আমরা শুনেছি। সেগুলি যাচাই বাছাই করা হবে।

অনুসন্ধান কর্মকর্তা শামসুল আলম জাানন, ভুয়া টেন্ডার ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পায় দুদক। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য চার কর্মকর্তাকে দুদকে তলব করা হয়। গতকাল দুদকে হাজির হন ডা. আনিসুর রহমান। তলব করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ড. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন অসুস্থতাজনিত কারণে দুদিন সময় চেয়েছেন। এ ছাড়া লাইন ডিরেক্টর (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুুর রশিদ ১৫ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। নথিপত্র সংগ্রহের জন্য এই সময় চেয়েছেন তিনি। এর আগে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। দুর্নীতির কারণে গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত