আশুলিয়ায় গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০৫:৫৪ পিএম

আশুলিয়ার বেরন এলাকায় তৈরি পোশাক শ্রমিক মাহফুজা আক্তার নাজমাকে দল বেঁধে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রিপন মিয়ার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা-পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে নিহতের মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত রিপন (৩৯) ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানা এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি আশুলিয়ায় ভাড়া থাকতেন এবং নাজমার সঙ্গে একই কারখানায় লাইন চিফ হিসেবে কাজ করতেন।

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাগান এলাকার আমিন মডেল টাউনের ভেতরের একটি খালি জমি থেকে রিপনের রক্তাক্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।

লাশটি উদ্ধারের সময় নিহতের পড়নে ছিল একটি ফুলহাতা শার্ট ও লুঙ্গি। নিহতের গলায় ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তা গুলির চিহ্ন কিনা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এ ছাড়া নিহত রিপনের গলায় একটি চিরকুট ঝোলানো ছিল। যেখানে লেখা ছিল- ‘আমি রিপন, গত ৫ তারিখে আশুলিয়ায় সহকর্মী নাজমাকে ধর্ষণ করেছি। পরে সে আত্মহত্যা করেছে’। কিন্তু কে বা কারা রিপনকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা দিতে পারেননি তিনি।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, গত ৫ জানুয়ারি বেরন এলাকার ইয়াগী বাংলাদেশ কারখানার শ্রমিক নাজমা রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিল। এ সময় কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী একটি মাঠে নিয়ে দল বেঁধে ধর্ষণ করে। এরপর ৭ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় মেয়ের বাবা একই কারখানার আবদুর রহিম, লাইন চিফ রিপন, ক্যানটিন মালিক শিপন ও ইব্রাহিমসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ রহিমকে গ্রেপ্তার করলেও মামলা দায়ের পর থেকে প্রধান আসামি রিপন পলাতক ছিলেন ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত