শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

অবশেষে গাড়ি না চালানোর ‘শিক্ষা’ নিলেন প্রিন্স ফিলিপ

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:২৫ পিএম

বয়স ৯৭ চলে। তবু তার গাড়ি চালাতেই হবে। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ এত দিন বাদে এসে বুঝলেন, এবার তার থামা উচিত। ব্রিটিশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, সড়ক দুর্ঘটনা থেকে ‘শিক্ষা’ নিয়ে শনিবার স্বেচ্ছায় নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স ত্যাগ করেছেন তিনি।

ফিলিপ বাকিংহাম প্যালেসে সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েন ১৭ জানুয়ারি। পূর্ব ইংল্যান্ডের ওই দুর্ঘটনায় সেদিন তার কোনো ক্ষতি হয়নি।

রয়্যাল প্যালেস থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সতর্কতার অংশ হিসেবে দ্য ডিউক অব এডিনবরা স্বেচ্ছায় নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দিয়েছেন।’

সড়ক দুর্ঘটনায় ফিলিপের ক্ষতি না হলেও অন্য গাড়িতে থাকা ২৮ বছর বয়সী এক নারী হাঁটুতে ব্যথা পান। গাড়িতে থাকা ৯ মাসের এক বাচ্চার কব্জি ভেঙে যায়।

ব্রিটেনে ড্রাইভিংয়ের নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই। শুধু নিয়মে আছে, বয়স ৭০ পেরিয়ে গেলে তিন বছর অন্তর লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে।

২০১৭ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে অবসর নেন বিতর্কিত সব মন্তব্যের জন্য পরিচিত এই রাজা। অবসর নিলেও ৯২ বছর বয়সী স্ত্রীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে তাকে সরকারি কাজে অংশ নিতে দেখা যায়।

ফিলিপ তার কয়েকটি মন্তব্যের জন্য বেশ সমালোচিত। ১৯৮৬ সালে চীন সফরের সময় সেখানে একদল ব্রিটিশ ছাত্রদের বলেন, ‘এ দেশে বেশি দিন থাকলে তোমাদের চোখ কিন্তু সরু হয়ে যাবে!’

আরও বড় বিতর্কের মুখে পড়েন ১৯৯৪ সালে কেইম্যান দ্বীপ সফরের সময়। স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিকে এভাবে প্রশ্ন করেন, ‘আপনাদের অধিকাংশই তো জলদস্যুদের বংশধর, তাই না?’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত