বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

প্রচারে সাদিক, প্রতীক নেননি শাহিদ মাহমুদ

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৯, ১০:৩২ পিএম

ক্রমশই জটিল হচ্ছে নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন। অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহিদ মাহমুদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। এদিকে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রতীক পেয়ে প্রচারে নেমেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক হোসেন নয়ন। তবে এখনো প্রতীক বরাদ্দ নেননি শাহিদ মাহমুদ।গত ১১ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা বাছাইকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক হোসেনের মনোনয়নপত্র ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় তা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এদিকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মনোনীত প্রার্থী ফয়েজ আহমেদ ১৮ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে শাহিদ মাহমুদকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান ঘোষণা করে ২০ ফেব্রুয়ারি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন সদর উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজহারুল ইসলাম।

এদিকে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সাদিক হোসেন নির্বাচনী আপিল কর্র্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিলের শুনানি শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া রায় বহাল রাখেন জেলা প্রশাসক। এরপর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আপিল করেন সাদিক। উচ্চ আদালত সাদিক হোসেনের আপিল গ্রহণ করে সেদিন দুপুরে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে সাদিককে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাদিক হোসেন উচ্চ আদালতের রায়ের সত্যায়িত অনুলিপিসহ সদর উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে তাকে আনারস প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সাদিক হোসেন জানান, আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন তাকে আনারস প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন। সুষ্ঠু ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। এদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিদ মাহমুদ বলেন, ‘আদালত যে রায় দেবেন তা আমরা মানব। নির্বাচন করতে হলে করব।’ 

রিটার্নিং কর্মকর্তা আজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর সাদিক হোসেনের মনোনয়ন বৈধ করে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহিদ মাহমুদ এখনো প্রতীক নিতে আসেননি বলে জানান তিনি। গণবিজ্ঞপ্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে সাদিক হোসেন আদালতের রায় পাওয়ার পর গণবিজ্ঞপ্তি এমনিতেই বাতিল হয়ে গেছে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত