রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডি

ফুল, মোম প্রজ¦লনে নেপালি শিক্ষার্থীদের স্মরণ

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৯, ০১:৫৯ এএম

গত বছর ১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত ১২ নেপালি শিক্ষার্থীকে স্মরণ করল সিলেট রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ। গতকাল মঙ্গলবার এই কলেজে এমবিবিএসপড়–য়া ওই শিক্ষার্থীদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শোকসভা, প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোমবাতি প্রজ¦লন করা হয়।

কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত শোকসভায় বক্তারা বলেন, ওই শিক্ষার্থীরা ছুটিতে তাদের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ছুটি শেষে তাদের ক্যাম্পাসে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা তাদের ও পরিবারের সব স্বপ্ন নিঃশেষ করে দেয়। শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবেদ হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিচালক তারেক আজাদ, উপাধ্যক্ষ এ কে এম দাউদ। এ সময় নিহতদের অধ্যয়নকালের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দিয়ে নির্মিত একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১২ মার্চ বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭১ আরোহী নিয়ে নেপালের উদ্দেশে ছেড়ে যায় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১১ ফ্লাইট। কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে পৌঁছার পর রানওয়ের পাশে বিধ্বস্ত হয় উড়োজাহাজটি। দুর্ঘটনায় মোট ৫১ আরোহী নিহত হন। ফ্লাইটটিতে জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ জন নেপালি শিক্ষার্থী ছিলেন। এদের মধ্যে সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠা, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, আশ্রা শখিয়া ও প্রিন্সি ধামী নিহত হন। বেঁচে যান সামিনা বেনজারখার নামে এক নারী শিক্ষার্থী। এরপর তিনি আর সিলেটে ফেরেননি। তার অ্যাকাডেমিক কাগজপত্র নেপালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি সেখানে ইন্টার্নশিপ করছেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত