কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াসিন আহমেদ (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হাবিরছড়া পাহাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ইয়াসিন আহমেদ টেকনাফ পৌরসভার লামারবাজার এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি তালিকাভুক্ত গুন্ডি ও ইয়াবা কারবারি বলে দাবি পুলিশের।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যরা হলেন টেকনাফ থানার এসআই বোরহান, এএসআই সঞ্জিব ও কনস্টেবল শুক্কুর। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ইয়াবা বিক্রির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল টেকনাফ উপজেলার হাবিরছড়া পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা কারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
একপর্যায়ে ইয়াবা কারবারিরা পিছু হটে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ ইয়াসিনের মৃতদেহটি সনাক্ত করেন। ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ওসি জানান, নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত ইয়াসিন আহমদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ইয়াবাসহ ৫টি মামলা রয়েছে।
